ওয়েব ডেস্ক: রাকেশ শর্মার পর দ্বিতীয় ভারতীয় হিসেবে মহাকাশে (Space) পা রেখেছেন শুভাংশু শুক্লা (Shubhanshu Shukla)। গত বছর দেশে ফিরে সেই অভিজ্ঞতাও জানিয়েছেন তিনি। এবার জীবনের এক নয়া অধ্যায় লিখতে চলেছেন তিনি। মহাকাশচারী থেকে বিজ্ঞানী হয়ে উঠেছেন তিনি। স্পেসস্যুট ছেড়ে গায়ে চড়িয়েছেন সাদা ল্যাব স্যুট। চার দেওয়ালের মধ্যেই চলছে শুভাংশুর মঙ্গল-সাধনা। মঙ্গল গ্রহের (Mars) বিষাক্ত মাটিতে কি ব্যাকটেরিয়ার (Bacteria) সাহায্যে ভবিষ্যতে রাস্তা, ল্যান্ডিং প্যাড বা এমনকি বসবাসের ঘর তৈরি করা সম্ভব? এর উত্তর খুঁজতে গবেষণা করছেন ব্যোমজয়ী এই ভারতীয়।

আসলে যেদিন থেকে মঙ্গলগ্রহ নিয়ে গবেষণা শুরু হয়েছে, সেদিন থেকেই এই প্রতিবেশী গ্রহকে বিকল্প বাসস্থান হিসেবে ভাবা হচ্ছে। কিন্তু পৃথিবী থেকে নির্মাণ সামগ্রী নিয়ে গিয়ে তা দিয়ে মঙ্গলের বুকে বিল্ডিং বানানো প্রায় অসম্ভব। তাই বিজ্ঞানীরা এবার মঙ্গলেই থাকা উপকরণ ব্যবহার করে নির্মাণের উপায় খুঁজছেন। তবে এক্ষেত্রে মূল সমস্যা মঙ্গলের মাটিতে থাকা পারক্লোরেট। ক্লোরিন-ভিত্তিক এই বিষাক্ত যৌগ পৃথিবীর অধিকাংশ জীবের জন্য ক্ষতিকর। এটি কোষের ক্ষতি করে এবং বিপাক প্রক্রিয়া ব্যাহত করে। ফলে ব্যাকটেরিয়া ব্যবহার করে নির্মাণের ধারণা বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে।
আরও পড়ুন: হু হু করে গলছে বরফ! গ্রীনল্যান্ডের কারণেই প্লাবিত হবে কলকাতা?
তবে ‘মাইক্রোবিয়ালি ইনডিউসড ক্যালসাইট প্রিসিপিটেশন’ নামের এক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কিছু বিশেষ ব্যাকটেরিয়া ইউরিয়া ও ক্যালসিয়াম পেলে ক্যালসিয়াম কার্বনেট তৈরি করে, যা প্রাকৃতিক সিমেন্টের মতো কাজ করে। আগে এক গবেষণায় দেখা গিয়েছিল, যে স্পোরোসারসিনা পাস্তুরি নামের ব্যাকটেরিয়া চাঁদ বা মঙ্গল গ্রহের মাটিকে শক্ত ইটে পরিণত করতে পারে। সেই কারণে এই বিষয়টি নিয়েই গবেষণা শুরু করেছেন শুভাংশু শুক্লা। যদিও এখনও চাঁদ বা মঙ্গলে স্থায়ী মানব বসতির আনুষ্ঠানিক পরিকল্পনা করেনি ভারত।
দেখুন আরও খবর:







