ওয়েবডেস্ক- বিমান দুর্ঘটনায় অজিত পাওয়ারের (Ajit Pawar) মৃত্যুতে নয়া মোড়! আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ব্ল্যাক বক্স (Black Box) , এমনটাই জানাল অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রক (Ministry of Civil Aviation) ! প্রসঙ্গত, স্বামী অজিত পাওয়ারের মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে এবার নিজেই আসরে নেমেছেন স্ত্রী সুনেত্রা পাওয়ার (Sunetra Power) । সিবিআই (CBI) তদন্তের দাবি জানিয়েছিলেন তিনি। এর পর অসামরিক পরিবহন মন্তকের তরফের জানানো হল, আগুনে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বিমানের ব্ল্যাক বক্স। সেখানে থেকে তথ্য উদ্ধার করা যাচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে বিশেষজ্ঞের সাহায্য নেওয়া হচ্ছে।
গত ২৮ জানুয়ারি মুম্বই থেকে বারামতী যাওয়ার পথে দুর্ঘটনায় প্রয়াত হন মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার। তার পরের দিনই উদ্ধার হয় বিমানের ব্ল্যাক বক্স। দুর্ঘটনার কারণ জানতে তদন্তভার হাতে নেয় এএআইবি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানের দুটি ফ্লাইট রেকর্ডার ছিল একটি ফ্লাইট ডেটা রেকর্ডার ও অন্যটি ককপিট ভয়েস রেকর্ডার। দুর্ঘটনার পরেই ভয়ঙ্কর আগুন ও অতিরিক্ত তাপে দুটি যন্ত্রই মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই যন্ত্রটি মার্কিন সংস্থার তৈরি তাই সেখানকার বিশেজ্ঞদের সাহায্য নেওয়া হচ্ছে জানানো হয়েছে। তবে এল ৩ কমিউনিকেশনস- এর তৈরি ডিজিটাল ফ্লাইট ডেটা রেকর্ডার থেকে বেশ কিছু তথ্য ডাউনলোড করা সম্ভব হচ্ছে না এএআইবি ল্যাবে।
মঙ্গলবার, মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী সুনেত্রা পাওয়ার অজিতের মৃত্যুতে সিবিআই তদন্তের দাবি জানান। সুনেত্রা-সহ জাতীয়তাবাদী কংগ্রেস পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র নেতারা মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবিশের সঙ্গে দেখা নিজেদের বক্তব্য জানান। এই দুর্ঘটনা নিয়ে এর আগেও প্রশ্ন তুলেছিলেন অজিত পাওয়ারের ভাগ্নে ও এনসিপি (এসপি) বিধায়ক রোহিত পাওয়ার। তদন্ত ধীর গতিতে চলছে বলে প্রশ্ন তোলেন তিনি। এবার সামনে এল ব্ল্যাক বক্স তথ্য।
আরও পড়ুন- সুপ্রিম কোর্টে ফের পিছিয়ে গেল I-PAC মামলার শুনানি!
উল্লেখ্য, অজিত পাওয়ার বিমান দুর্ঘটনায় নিয়ে যে তথ্য এখনও পাওয়া গেছে, তা হল ২৮ জানুয়ারি সকাল ৮টা নাগাদ রওনা দিয়েছিল বিমানটি। যাত্রার প্রথম দিকে সব স্বাভাবিকই ছিল। কিন্তু মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যেই বিমানটি প্রায় ৬ কিলোমিটার উচ্চতায় পৌঁছে যায়, তার গতি ঘণ্টায় প্রায় ১০৩৬ কিলোমিটার। উড়ানের ২৪ মিনিট পর কিছু সময়ের জন্য বিমানটি নজরদারির সঙ্কেত পাঠানো বন্ধ করে দিয়েছিল। কয়েক মিনিট পরে সেই সঙ্কেত ফিরে এলেও সকাল ৮ টা ৪৩ মিনিটে বিমাটির কাছ থেকে কোনও সঙ্কেত আসছিল না। সেই দুর্ঘটনা ঘটে। ভেনে পড়ার ঠিক আগে বিমানের উচ্চতা নেমে আসে ১০১৬ মিটারে, গতি ছিল ঘণ্টায় প্রায় ২৩৭ কিলোমিটার, যা অবতরণের সময় স্বাভাবিক বলেই ধরা হয়।







