Friday, August 29, 2025
HomeJust Inবিতর্কিত স্যালাইন কারখানা খোলার দাবিতে চোপড়ায় আন্দোলনে শ্রমিকরা

বিতর্কিত স্যালাইন কারখানা খোলার দাবিতে চোপড়ায় আন্দোলনে শ্রমিকরা

ওয়েব ডেস্ক: কর্ণাটক কালো তালিকাভুক্ত (Black Listed) করে। গত ১১ ডিসেম্বর থেকে বন্ধ উত্তর দিনাজপুর জেলার চোপড়ার বিতর্কিত স্যালাইন কারখানা (Saline Factory)। এই স্যালাইন কারখানা থেকে সরবরাহ হওয়া রিঙ্গার ল্যাক্টেট স্যালাইনেই মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজে হাসপাতালে প্রসূতি মৃত্যুর অভিযোগ ওঠে। সেই বন্ধ স্যালাইন কারখানা খোলার দাবিতে  আন্দোলনে নামলেন কাজ হারানো শ্রমিকরা (Labours)। কারখানা চালু করে শ্রমিকদের কাজে ফেরানোর জন্য চোপড়ার বিডিওর কাছে দাবি জানান মজদুররা। শুক্রবার বিডিওর মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী এবং উত্তর দিনাজপুর জেলাশাসকের কাছে এই দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

চোপড়ার সোনাপুরে পশ্চিমবঙ্গ ফার্মাসিউটিক্যাল নামে ওই স্যালাইন কারখানার স্যালাইন দেশের বিভিন্ন রাজ্যের হাসপাতালে সরবরাহ হত। গতবছর এই কারখানার তৈরি স্যালাইন ব্যবহার করে কর্ণাটকে চার প্রসূতির মৃত্যু হয়। কর্ণাটক সরকার পশ্চিমবঙ্গ ফার্মাসিউটিক্যালকে কালো তালিকা ভুক্ত করে। কর্ণাটকে প্রসূতির মৃত্যু হওয়ায় গত ১১ ডিসেম্বর কারখানাটি বন্ধ করার নোটিশ টাঙিয়ে দেওয়া হয়। তবে অভিযোগ, তারপরেও পশ্চিমবঙ্গে বহাল তবিয়তে সেখানকার স্যালাইন ব্যবহার হচ্ছিল। সম্প্রতি মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ওই রিঙ্গার ল্যাক্টেট স্যালাইন ব্যবহার করে এক প্রসূতির মৃত্যু হয়। তিন প্রসূতি অসুস্থ হওয়ার পর রাজ্য জুড়ে তোলপাড় পড়ে যায়। চাপে পড়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকার এই স্যালাইন কারখানাকে কালো তালিকা ভুক্তের ঘোষণা করে। ঘটনায় সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন: গুরুদায়িত্বে আদিবাসী মহিলা, জঙ্গলমহলে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে বামেরা?

ওই স্যালাইন কারখানায় প্রায় তিনশো শ্রমিক কাজ করতেন। প্রত্যেকেই শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের শ্রমিক সংগঠন আইএনটিটিইউসির সঙ্গে যুক্ত। কারখানায় উৎপাদন বন্ধ হওয়ায় প্রায় দুই মাস কর্মীদের বেতন বন্ধ। শুক্রবার আইএনটিটিউসির চোপড়া ব্লক সংগঠনের সভাপতি সিরাজুল হক শ্রমিকদের নিয়ে চোপড়া বিডিও অফিসে হাজির হন। আইনি জটিলতা কাটিয়ে দ্রুত ওই কারখানা খোলার জন্য লিখিত দাবি চোপড়া বিডিওর কাছে পেশ করেন। বিডিওর মাধ্যমে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, চোপড়া বিধায়ক এবং উত্তর দিনাজপুর জেলা শাসককে স্মারকলিপি পাঠানো হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। কাজ হারানো নিরুপমা রায়দাস, ঋষা খাতুন জানিয়েছেন, এই কারখানা বন্ধ হলে তিনশো শ্রমিকের পরিবারের প্রায় দেড় থেকে দুই হাজার মানুষকে অনাহারে থাকতে হবে। কারখানার মালিকদের কাছে কারখানা খোলার দাবি জানানো হয়েছে।

দেখুন অন্য খবর: 

Read More

Latest News