ওয়েব ডেস্ক: ইরানের (Iran) উপর ফের পড়তে পারে ট্রাম্পের (Donald Trump) রক্তচক্ষু। তার মাশুল গুনতে হতে পারে মধ্যপ্রাচ্যের (Middle East) একটা বড় অংশকে। সম্প্রতি ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের কথা সামনে আসতেই ফের মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই। তেমনটা হলে ইজরায়েলের পর ফের এক নয়া শত্রুকে দমন করতে যুদ্ধের ময়দানে নামতে হতে পারে ইরানি বাহিনীকে।
উল্লেখ্য, কয়েক দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো এই অঞ্চলে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ও যুদ্ধবিমানের বৃহত্তম বহর গড়ে তুলছে আমেরিকা (US Navy)। এই পরিস্থিতির মধ্যেই বিশ্বের বৃহত্তম বিমানবাহী রণতরী ‘ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড’-এর ক্রু সদস্যদের দুর্ভোগের খবর সামনে এসেছে। জাহাজটি গত বছরের জুন মাস থেকে একটানা সমুদ্রে রয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের সিদ্ধান্তে দ্বিতীয়বার মোতায়েনের মেয়াদ বাড়ানো হওয়ায় রণতরীতে একাধিক প্রযুক্তিগত ও মানবিক সমস্যা তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ।
আরও পড়ুন: বাণিজ্য চুক্তির পরেও ভারতের উপর নতুন করে শুল্ক ট্রাম্পের!
এদিকে, জানুয়ারিতে নিকোলাস মাদুরো-কে আটক করার অভিযানের পর এই রণতরীর ক্রুরা জানতে পারেন, ইরান-এর উপর সম্ভাব্য মার্কিন হামলার প্রস্তুতির জন্য তাঁদের মোতায়েনের সময়কাল আরও বাড়ানো হবে। বর্তমানে জাহাজটি অন্য একটি বহরের সঙ্গে যোগ দিতে মধ্যপ্রাচ্যের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এই অবস্থায় ক্রু সদস্যদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা তৈরি হয়েছে।
বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে ওয়াশিংটনের এক ডজনেরও বেশি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন রয়েছে। এর মধ্যে ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন সহ একাধিক ডেস্ট্রয়ার ও উপকূলীয় যুদ্ধজাহাজ রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, একই সময়ে দু’টি মার্কিন বিমানবাহী রণতরীর উপস্থিতি অত্যন্ত বিরল ঘটনা, যা আঞ্চলিক পরিস্থিতির গুরুত্বই নির্দেশ করছে।
দেখুন আরও খবর:







