কলকাতা: ‘বিজেপির আস্থাভাজনরাই বাংলায় পর্যবেক্ষকের (TMC Exposes Four Observers Scam) দায়িত্বে’। বাংলায় আসা পর্যবেক্ষকদের একাংশ নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ তৃণমূল কংগ্রেসের। বাংলায় পর্যবেক্ষক নিয়োগে কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সাংবাদিক বৈঠক করেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু ও তৃণমূল সাংসদ সায়নী ঘোষ। বাংলায় পর্যবেক্ষকদের নিয়োগে কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সাংবাদিক বৈঠক করেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু (Bratya Basu) ও তৃণমূল সাংসদ সায়নী ঘোষ (Saayoni Ghosh)।
বাংলার চার আসনে নিযুক্ত পর্যবেক্ষকদের পর্দাফাঁস করল তৃণমূল। কমিশনের কার্যকলাপে বিজেপির অঙ্গুলিহেলন যে স্পষ্ট, প্রমাণ-সহ তা সামনে আনল তৃণমূল। সাংবাদিক বৈঠকে ছবি দেখিয়ে ব্রাত্য বলেন, “কীভাবে জ্ঞানেশ কুমার, তাঁর বস অমিত শাহের পরামর্শে বেছে বেছে লোক পাঠাচ্ছে দেখুন, এগুলো তার জ্বলন্ত প্রমাণ। তৃণমূল সাংসদ সায়নী ঘোষ বলেন, ‘এতদিন ইডি, সিবিআই, আইটি, এনআইএ করে সুবিধা করতে না পেরে এখন বি-টিম হিসেবে নির্বাচন কমিশনকে (Election Commission) কাজে লাগাচ্ছে বিজেপি।’ চারজন আধিকারিকের ছবি দেখিয়ে তিনি সাংবাদিক বৈঠকে তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আনেন। এদিন সামনে আসে, তাঁরা হলেন বনগাঁ দক্ষিণের পর্যবেক্ষক অজয় কাটেসরিয়া, গাজোলের সাধারণ পর্যবেক্ষক ধীরজ কুমার, মধ্যমগ্রামের পর্যবেক্ষক অরিন্দম ডাকুয়া ও গন্দাম চান্দরুদু, যাঁকে বালিগঞ্জের পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। এই চারজনের বিরুদ্ধেই বিস্ফোরক অভিযোগ তোলে তৃণমূল কংগ্রেস।
আরও পড়ুন: কেন্দ্রে বিজেপি সরকারের বিদায় কবে? সময় জানিয়ে দিলেন মমতা
ব্রাত্যর দাবি, অজয় আগে মধ্যপ্রদেশে বিজেপি সরকারের সময়ে ছাতনায় কালেক্টরেটের কাজ করতেন।তাঁর বিরুদ্ধে প্রায় ৪০ একর সরকারি খাস জমি টেন্ডার ছাড়াই বিলিয়ে দিচ্ছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে। মধ্যপ্রদেশ সরকার শিবরাজ সিং চৌহান তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত হয়। একটি কমিশন গঠন করা হয়। তিনি দোষী সাব্যস্ত হন।বিজেপি সরকার অজয়কে ক্লিন চিট দেন। ব্রাত্যর কথায়, “এক বিজেপি সরকার তাঁকে দুর্নীতির জন্য অভিযোগ করছে, আরেক বিজেপি সরকার তাঁকে ছাড় দিচ্ছে।” মহারাষ্ট্রের স্বাস্থ্য কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় ৮,০০০ কোটি টাকার বিশাল অ্যাম্বুল্যান্স টেন্ডার কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত ধীরজ কুমারকে গাজোলে ভোট পর্যবেক্ষণের দায়িত্বে রাখা হয়েছে। অন্যদিকে অরিন্দম ডাকুয়া, মধ্যমগ্রামের সাধারণ অবজারভার, ওড়িশায় বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝির ব্যক্তিগত সচিব হিসেবে কাজ করেছেন।গণ্ডম চন্দ্রুডু বালিগঞ্জের সাধারণ অবজারভার। অন্ধ্রপ্রদেশে আদিবাসী কল্যাণ দফতরের ডিরেক্টর হিসেবে কার্যকালে তাঁর বিরুদ্ধে যৌতুক হয়রানির মামলা হয়েছে।







