ওয়েব ডেস্ক: মায়ানমারে ভূমিকম্পে (Myanmar Earthquake) মৃত্যুমিছিল বেড়েই চলেছে। সরকারি হিসেবে শনিবার মৃত্যুর সংখ্যা ১৬০০ ছাড়াল। আমেরিকান সংস্থার আশঙ্কা এই সংখ্যা ১০,০০০ ছাড়াতে পারে। এই কম্পনের এপিসেন্টার মায়ানমারের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মান্দালয় (Mandalay) কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নীচে কত মানুষ চাপা পড়ে আছে তার কোনও হিসেব নেই। খালি হাতেই চলছে উদ্ধারের মরিয়া চেষ্টা।
শুক্রবার কম্পনের তীব্রতা ছিল ৭.৭, তীব্রতা এতটাই ছিল যে ৯০০ কিমি দূরে ব্যাঙ্কক শহরেও কম্পন অনুভূত হয়েছে। ভেঙে পড়েছে বহুতল। থাইল্যান্ডে ভূমিকম্পে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi) আগেই সহায়তার ঘোষণা করেছিলেন। শনিবার সকালে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar) জানালেন, বায়ুসেনার সি ১৩০ জে বিমানে ১৫ টন ত্রাণসামগ্রী পাঠানো হচ্ছে মায়ানমারে। ত্রাণের মধ্যে রয়েছে খাবারের প্যাকেট, রান্নার সামগ্রী সৌরশক্তি চালিত আলো।
আরও পড়ুন: ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে গরু পাচারের চেষ্টা! মৃত ১
এদিকে ভূমিকম্পের পর রাজধানী ব্যাঙ্ককে জরুরি অবস্থা জারি করেছে থাই সরকার। অন্তত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১০০ জন নির্মাণ কর্মী নিখোঁজ। তাঁরা ধ্বংসস্তূপের নীচে চাপা পড়েছেন বলে আশঙ্কা।
প্রসঙ্গত শুক্রবার, মান্দালয়ের আইকনিক আভা সেতু ইরাওয়াদি নদীতে ভেঙে পড়ে। বহু বাড়ি ভেঙে পড়ে। রাস্তায় চওড়া ফাটল দেখা যায়। এক মাসের ব্যবধানে মায়ানমারে বড় ধরনের দুটি ভূমিকম্প হল। এদিন কলকাতাতে সিলিং ফ্যান নড়তে দেখেন অনেকে। আতঙ্কে ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন বহুতলের বাসিন্দারা। রাজধানী দিল্লির আশপাশে এনসিআর এলাকা নয়ডা, গাজিয়াবাদ, ফরিদাবাদেও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।
দেখুন অন্য খবর: