ওয়েব ডেস্ক: পরনে বায়ুসেনার পোশাক, মুখে আত্মবিশ্বাসী হাসি। ভারতীয় বায়ুসেনার (Indian Air Force) লাইট কমব্যাট হেলিকপ্টার (Light Combat Helicopter) ‘প্রচণ্ড’-এর (Prachand) ককপিটে সহকারী পাইলটের আসনে বসে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানালেন দ্রৌপদী মুর্মু (Droupadi Murmu)। দেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসেবে রাফাল যুদ্ধবিমানের পর এ বার সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এই আক্রমণাত্মক হেলিকপ্টারে সওয়ার হলেন তিনি। শুক্রবার ভারত-পাক সীমান্ত সংলগ্ন রাজস্থানের জৈসলমের বায়ুসেনাঘাঁটিতে পৌঁছে ‘প্রচণ্ড’-এ চড়েন রাষ্ট্রপতি।
প্রায় ২৫ মিনিটের উড়ানে জৈসলমের শহর ও সংলগ্ন এলাকা পরিদর্শন করেন রাষ্ট্রপতি। উড্ডয়নের আগে বায়ুসেনার আধিকারিকেরা তাঁকে হেলিকপ্টারের কার্যপদ্ধতি ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়গুলি বিস্তারিতভাবে বোঝান। ককপিটে বসেই আত্মনির্ভর ভারতের বার্তা দেন তিনি। রাষ্ট্রপতির কথায়, “প্রচণ্ড হেলিকপ্টার দেশের আত্মনির্ভরতার এক শক্তিশালী প্রতীক। এই সময় জৈসলমের পরিদর্শন করছি। আমাদের জওয়ানদের কৃতজ্ঞতা ও শুভেচ্ছা জানাই।”
আরও পড়ুন: উপরাষ্ট্রপতি পদ থেকে কেন ইস্তফা দিয়েছিলেন? মুখ খুললেন জগদীপ ধনখড়
উল্লেখ্য, ‘প্রচণ্ড’ হল সম্পূর্ণ দেশিয় প্রযুক্তিতে নির্মিত লাইট কমব্যাট হেলিকপ্টার, যা তৈরি করেছে হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড। পার্বত্য এলাকায় অভিযানের জন্য বিশেষভাবে উপযোগী এই হেলিকপ্টার ৬,৫০০ মিটার পর্যন্ত উড়তে সক্ষম। এর ওজন প্রায় ৫,৮০০ কেজি এবং সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ২৬৮ কিলোমিটার। অস্ত্রসজ্জার দিক থেকেও অত্যাধুনিক ‘প্রচণ্ড’। এতে রয়েছে ২০ মিমি কামান, ৭০ মিমি রকেট এবং ট্যাঙ্ক বিধ্বংসী হেলিনা ক্ষেপণাস্ত্র। শত্রুর রাডার এড়িয়ে অভিযানে সক্ষম এই হেলিকপ্টার ট্যাঙ্ক ও বাঙ্কার ধ্বংসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।
দেখুন আরও খবর:







