ওয়েব ডেস্ক : সংখ্যালঘুদের নাম এসআইআর (SIR) খসড়া তালিকা থেকে ছেটে ফেলতে হবে। এমনই চাপ দেওয়া হচ্ছে বিজেপির (BJP) তরফে। এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করলেন এক বিএলও (BLO)। সঙ্গে তিনি জানান, ‘আমি কালেক্টরের অফিসে যাব, সেখানেই নিজেকে শেষ করে দেব’! যা নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। সেই ভিডিয়ো ইতিমধ্যে সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। (তবে ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি কলকাতা টিভি)।
রাজস্থানের (Rajasthan) বিএলও অভিযোগ করে বলেছেন, গত বিধানসভা নির্বাচনে যে সব এলাকাতে কম মার্জিনে বিজেপি প্রার্থীরা জিতেছিল, সেই এলাকাগুলি থেকে মুসলিম প্রার্থীদের নাম বাদ দিতে হবে। এমনই নাকি চাপ দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জয়পুরের মুসলিম অধ্যুষিত হাওয়া মহল বিধানসভা কেন্দ্রের এই বিএলও। কীর্তি আরও জানিয়েছেন, তাঁর বুথের ৪৭০ জন অর্থাৎ ৪০ শতাংশ ভোটারের নামে আপত্তি তুলে সেগুলিকে বাদ দেওয়ার কথা জানাচ্ছে বিজেপি।
আরও খবর : ইরানের পরিস্থিতি কতটা ভয়াবহ? দেশে ফিরে কী জানালেন ভারতীয়রা?
ওই বিএলও (BLO) আরও দাবি করেছেন, তালিকা থেকে যে নাম গুলি বাদ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে সেগুলি মুসলিম ভোটারদের। যে ভিডিয়ো ক্লিপ ভাইরাল হয়েছে, তাতে দেখা গিয়েছে, স্থানীয় বিজেপি কাউন্সিলর সুরেশ সাহানিকে ওই বিএলও বলেন, গোটা বস্তির নাম কেটে দেব যাতে আপনার ও ‘মহারাজ’ অর্থাৎ বিজেপি বিধায়ক বালমুকুন্দ আচার্যের জিততে সুবিধা হয়। প্রসঙ্গত, বালমুকুন্দ আচার্য গত বিধানসভা ভোটে জিতেছিলেন ৯৭৪ ভোটে।
জেতার পর তাঁকে সংখ্যালঘুদের নিশানা করতে দেখা গিয়েছে। যা নিয়ে বিতর্কে জড়িয়েছেন ‘মহারাজ’ অর্থাৎ বিজেপি বিধায়ক বালমুকুন্দ আচার্য। অন্যদিকে ওই বিএলও দাবি করেছেন, এই কাজের জন্য স্কুলের পড়ুয়াদের ক্ষতি হচ্ছে। তিনি দাবি করেছেন, ২ দিনের মধ্যে ওই ভোটারদের ফর্ম প্রসেস করতে বলা হয়েছে। এসবের পরে কীর্তি জানিয়েছেন, নতুন করে আবার ভোটারদের বৈধতা যাচাই করতে হবে। তার জন্য ৭৮ ঘন্টা সময় লাগবে।
দেখুন অন্য খবর :







