ওয়েবডেস্ক– SIR একদিকে যেমন ভোটারদের (Voter) মধ্যে আতঙ্ক বাড়িয়েছে, অপরদিকে স্বস্তিতে নেই বিএলও-রা (BLO)। কমিশনের (Election Commission) কাজের চাপে অসুস্থ, ব্রেন স্ট্রোক থেকে মৃত্যুর ঘটনা পর্যন্ত ঘটছে। এবার গুজরাটে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল এক BLO’র। এসআইআর (SIR)-এই ঘটনার মৃত্যুর যোগ অস্বীকার করেছে পুলিশ।
ঘটনায় সরব হয়েছে বিরোধীরা। তাদের দাবি কাজের চাপ নিতে না পেরেই এই ঘটনা ঘটেছে। গুজরাটের মেহসানা জেলায় ভোটার তালিকার এসআইআর চলাকালীন ওই বিএলও’র মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। মৃত বিএলও একজন স্কুল শিক্ষক ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। শুক্রবার ভোরে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় তাঁর। এই ঘটনায় সরন হয়েছে বিরোধী দল কংগ্রেস সহ শিক্ষক ইউনিয়ন। কমিশনের কাজের চাপে বিএলও-র মৃত্যুর তত্ত্বকে উড়িয়ে দিয়েছে পুলিশ।
সাতলাসানা থানার সাব ইন্সপেক্টর উদয়সিংহ জালা বলেন, বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে নিজের বাড়িতেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে সুদাসানা গ্রামের বাসিন্দা দিনেশ রাভালের। তিনি সরকারি একটু প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন। সম্প্রতি তিনি এসআইআর কাজের জন্য বিএলও হিসেবে নিযুক্ত হন। জানা গিয়েছে, বাড়িতেই ইদানীং তাঁর স্বাস্থ্যের অবনতি হওয়ার পরে, রাভালকে ভাদনগরের একটি সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে হার্ট অ্যাটাকের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তার পরিবার বা সহকর্মীদের থেকে এখনও কারুর বিষয়ে কোনও অভিযোগ করা হয়নি।
আরও পড়ুন- তৃণমূলের কোন ৫ প্রশ্নে স্পিকটি নট নির্বাচন কমিশন? কী দাবি তৃণমূলের?
কংগ্রেস মুখপাত্র মনীশ দোশির অভিযোগ, বিএলওদের কাজ শেষ করার জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। সেই কারণে এই ধরণে ঘটনা ঘটেছে। অন্যদিকে গুজরাট রাজ্য প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি দিগ্বিজয়সিংহ জাদেজা বলেন, অন্যান্য শিক্ষকরা তাঁকে জানিয়েছেন, বিএলও হিসেবে কাজের চাপের কারণে রাভাল মানসিক চাপে ছিলেন। সরকার বিকল্প খুঁজে বের করার অনুরোধ করছি, কারণ বিএলও হিসেবে নিযুক্ত শিক্ষকরা প্রচণ্ড চাপের মধ্যে থাকেন। তাদের শিক্ষক হিসেবে কাজ করতে হচ্ছে, আবার বিএলও হিসেবেও কাজ করতে হচ্ছে, ফলে মানসিক বিপর্যস্ত হয়ে যাচ্ছে তারা।
দেখুন আরও খবর-







