ওয়েবডেস্ক- বিদায়ের সুর বেজে গেছে, এবার কী বিদায়ের পালা শীতের (Winter) ? মাত্র একসপ্তাহ জুড়ে ছক্কা হাঁকিয়ে এবার ধীরে ধীরে কমছে ঠান্ডা। দক্ষিণবঙ্গের (South Bengal) জেলাগুলিতে ঠান্ডার প্রভাব বজায় থাকলেও, কলকাতায় (Kolkata Weather) ভোরের দিকে ঠান্ডা থাকলেও বেলা বাড়তেই রোদ উঠলেই শীতের সেই আমেজটুকুও উধাও। ফলে তাপমাত্রা (Temperatue) বাড়ছে, কার্যত থমকে উত্তুরে হাওয়া। কুয়াশার (Fog) দাপট বজায় থাকলেও বঙ্গ থেকে শীত এবার পাততাড়ি গোটাবার পথে। দক্ষিণবঙ্গে তাপমাত্রার তেমন উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই।
আবহাওয়া দফতরের (Alipur Weather Office) পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী এক সপ্তাহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে জাঁকিয়ে শীত পড়ার সম্ভাবনা নেই। আগামী তিনদিন ভোর ও রাতের দিকে একাধিক জেলায় কুয়াশার দাপট থাকবে। ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহেই এবারের মতো বাংলা থেকে বিদায় নিতে পারে শীত।
মঙ্গলবার দক্ষিণবঙ্গের কল্যাণী ও উলুবেড়িয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রার রেকর্ড ১০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কলকাতাতেও তেমন ঠান্ডার দাপট নেই। গতকাল সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগামী সাতদিন শহরের তাপমাত্রার উল্লেখযোগ্য কোনও পরিবর্তন নেই। সরস্বতী পুজোতেও তাপমাত্রা একই রকম থাকবে। ফলে জাঁকিয়ে উধাওই বলা যেতে পারে।
আরও পড়ুন- ফের পিছতে পারে এসআইআর-এর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের দিন
অপরদিকে উত্তরবঙ্গে শীতের দাপট ভালোই আছে। তবেও সেখানেও তুলনামূলক ভাবে তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়বে। মঙ্গলবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমেছিল ৩ ডিগ্রিতে। সেইসঙ্গে আগামী সাতদিনই কুয়াশার দাপট বজায় থাকবে। পাহাড়ি এলাকায় ঠান্ডা থাকলেও সমতলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ৯ থেকে ১০ ডিগ্রির মধ্যে।
হাওয়া অফিস জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের আশেপাশে একাধিক পশ্চিমী ঝঞ্জা সক্রিয় আছে। ফলে পাকিস্তান ও উত্তর-পশ্চিম ভারতের উপরেও একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাব রয়েছে। পাশাপাশি কেমোরিন এলাকায় একটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে। অসম, উত্তরপ্রদেশ ও রাজস্থানের উপরেও একাধিক ঘূর্ণাবর্ত সক্রিয় থাকায় ফলে উত্তরে হাওয়ার দাপট আর নেই।







