ওয়েবডেস্ক- ভোটের (West Bengal Assembly 2026) বাদ্যি বেজে উঠেছে জোরকদমে। গতকালই বিজেপি (BJP) ও বামফ্রন্টের (Left front) তরফ থেকে প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হয়েছে। আর তৃণমূলের তরফে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হবে। এদিকে নিয়ে অতি সক্রিয় নির্বাচন কমিশন (Election Commission) । এই প্রথমবার তৈরি করা হয়েছে বিশেষ পর্যবেক্ষদের সেল বা অবজারভার সেল। যাদের কাজ হবে নির্বাচনে নজরদারি। এবার রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে জেনারেল অবজারভার (General observer) ও পুলিশ অবজারভার (Police Observer) নিয়োগ করল নির্বাচন কমিশন। ২৯৪ টি বিধানসভার জন্য ২৯৪ জন জেনারেল অবজারভার নিয়োগ করল কমিশন। ২৯৪টি বিধানসভার জন্য ৮৪ জন পুলিশ অবজারভার নিয়োগ করলেন নির্বাচন কমিশন। আগামীকালের মধ্যেই দায়িত্ব নেওয়ার নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের অবজারভারদের।
বিহার, গুজরাট, মধ্যপ্রদেশ, উত্তর প্রদেশ, মহারাষ্ট্র কর্নাটকের এর মতো রাজ্যগুলি থেকেই সব থেকে বেশি অবজারভার নিয়োগ করা হয়েছে এ রাজ্যের জন্য। তিনটি বা চারটি বিধানসভার জন্য একজন করে পুলিশ অবজার্ভার নিয়োগ করা হলেও। এক একটি বিধানসভার জন্য এক একজন জেনারেল অবজারভার নিয়োগ করল নির্বাচন কমিশন।
আরও পড়ুন- ‘যতই করো সেটিং, হবে না লোডশেডিং’ ভবানীপুরের প্রার্থী হতেই শুভেন্দুকে খোঁচা প্রতীক উরের
উল্লেখ্য, সুষ্ঠু নির্বাচন করতে বদ্ধ পরিকর নির্বাচন কমিশন। কোনও খামতি রাখতে চাইছে না। গত রবিবার ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। বাংলায় দু, দফায় ভোট হচ্ছে। প্রথম দফা ২৩ এপ্রিল ও শেষ দফা ২৯ এপ্রিল, গণনা ৪ মে। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল (Chief Electoral Officer Manoj Agarwal) জানিয়ে দিয়েছেন, নির্বাচনের (West Bengal Assembly Election 2026) কাজে ইচ্ছাকৃত ভুল ভ্রান্তি হলে প্রয়োজনে সংবিধানের ৩১১ ধারা প্রয়োগ করা হবে। বুথের নিরাপত্তা (Booth security) সব রকমের দায়িত্ব কেন্দ্রীয় বাহিনীর (Central Force) । বুথের ভেতরের কোনও গন্ডগোল হলে ভোট কর্মীদের দায়বদ্ধতা রয়েছে।
ছাপ্পা ভোট, ইভিএম (EVM) কারচুপি দেখতে পেলে সঙ্গে সঙ্গে সেক্টর অফিসারকে জানাতে হবে। ভোটের দায়িত্বে যাওয়ার পর বুথের ভোটকর্মীদের ছবি নেওয়া হবে। নির্বাচনী আচরণবিধি সংক্রান্ত আরও আটটি নির্দেশিকা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। পশ্চিমবঙ্গ, অসম, কেরল, তামিলনাড়ু এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরির ভোটমুখী এই রাজ্যগুলিতে নির্দেশিকা পালন করতে বলা হয়েছে।
সমস্ত রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের ওই নির্দেশিকা মেনে চলতে বলা হয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, নির্বাচন সংক্রান্ত আদর্শ আচরণবিধি বা মডেল কোড অফ কনডাক্ট (এমসিসি) যাতে সঠিকভাবে পালন করা হয়, সে বিষয়ে বিশেষ নজর রাখা হবে। প্রশাসনকে নিরপেক্ষ ভাবে আদর্শ আচরণবিধি কার্যকর করার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। সব দলকে সমান সুযোগ দিতে বলা হয়েছে। সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার করা হচ্ছে কি না, সে দিকেও নজর দিতে বলা হয়েছে।







