বীরভূম: ভোটের আগেই নানুরে ‘হুমকি রাজনীতি’। নানুর (Nanoor) বিধানসভায় বিজেপির মন্ডল সভাপতিকে হুমকি। সাদা থান, রজনীগন্ধা ফুলের মালা, ধূপকাঠি, মিষ্টি বিজেপি নেতার বাড়ির গেটে ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠলর। নানুর থানার দ্বারস্থ বিজেপি মন্ডল সভাপতি। ভোটের মুখে এভাবে বিজেপিকে দমানো যাবে না, দাবি বিজেপির। কে পাঠিয়েছে ? সেটা পুলিশ তদন্ত করে দেখুক। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে শাসকদল। উলটে গোষ্ঠী কোন্দলকেই দায়ী করেছে স্থানীয় তৃণমূল নেতারা।
ভোটমুখী বাংলায় সরগরম বীরভূমের রাজনীতি। বীরভূমের (Birbhum) নানুরে বিজেপির মন্ডল সভাপতি রামকৃষ্ণ মন্ডলকে প্রাণনাশের হুমকির বার্তা দেওয়ার অভিযোগ উঠল। নানুর থানার থুপসড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীনে কুড়গ্রামের বাসিন্দা বিজেপির তিন নম্বর মন্ডল সভাপতি রামকৃষ্ণ মন্ডল। সকালে তাঁর বাড়ির মুল গেটে একটি থলি ব্যাগ ঝুলছে দেখে। ব্যাগ খুলতেই দেখে সাদা থান, রজনীগন্ধা ফুলের মালা, ধুপ কাঠি এবং মিষ্টি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্বাভাবিকভাবেই প্রবল চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। খবর দেওয়া হয় থানায়। খুব স্বাভাবিকভাবেই ভীত সন্ত্রস্ত, আতঙ্কিত হয়ে পড়েন বিজেপির মন্ডল সভাপতি রামকৃষ্ণ মন্ডল। তাঁর অভিযোগ, যে পদ্ধতিতে আমাকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে, এটা ঠিক নয়। এভাবে বিজেপিকে আটকানো যাবে না। আমি বিজেপি করি বলে খুনের মেসেজ পাঠানো হচ্ছে। পুলিশকে জানিয়েছি, সঠিকভাবে প্রশাসন তদন্ত করুক।
আরও পড়ুন: শালিমার স্টেশনে ঢোকার মুখে লাইনচ্যুত লোকাল ট্রেন
বিজেপির অভিযোগ, নানুরে আমাদের কার্যকর্তাকে তৃণমূল খুনের মেসেজ পাঠিয়েছে। যে পন্থা ব্যবহার করা হয়েছে এটি বাম জামানায় সিপিএমের হারমাদরা করত। তৃণমূলকে আমরা বলব, এভাবে বিজেপিকে ধমকে চমকে আটকানো যাবে না। সামনেই বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Assembly Election)। তৃণমূল বুঝে গিয়েছে এবার ওদের জেতা কঠিন। তাই বিজেপি নেতাদের ভয় দেখিয়ে ঘরে বসিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। আমরা পুলিশ প্রশাসনকে জানিয়েছি। তারা তদন্ত করুক। তৃণমূলের দাবি, কে বা কারা? এই ঘটনা ঘটিয়েছে আমাদের জানা নেই। পুলিশ তদন্ত করুক। তৃণমূল এই সংস্কৃতিতে বিশ্বাসী নয়। বীরভূম জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল শেখের দায়িত্ব থাকা নানুরে বিজেপি মন্ডল সভাপতিকে খুনের হুমকি। এর আগেও বিজেপি ও আরএসএস করার অভিযোগে এক বিজেপি কর্মীকে তৃণমূল পার্টি অফিসে নিয়ে এসে কান ধরে উঠবস করার নিদর্শন রয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই আগামী বিধানসভা নির্বাচন যে বীরভূম তথা নানুরে শান্তিপূর্ণ হবে কিনা! তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করছে রাজনৈতিক মহল।







