ওয়েব ডেস্ক : আমেরিকা (America)-ইজরায়েলের (Israel) হামলায় মৃত্যু হয়েছে ইরানের (Iran) সর্বোচ্চ শাসক আয়াতোল্লা খামেনই’র (Ali Khamenei)! এমনটাই জানা যাচ্ছে। এর প্রতিবাদে একাধিক দেশ উত্তাল হয়ে উঠেছে। ভারতের পাশাপাশি পাকিস্তান ও ইরাকেও বহু মানুষ প্রতিবাদ দেখাচ্ছেন। এমন অবস্থায় করাচিতে (Karachi) মার্কিন দূতাবাসে হামলার অভিযোগ উঠল। এই সংঘর্ষে এখনও পর্যন্ত ৮ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। ঘটনায় আহত হয়েছে আরও ৩০ জন। সূত্রের খবর, দূতাবাসে গুলি চালানোর ঘটনা ঘটেছে। তার জেরেই মৃত্যু হয়েছে এত মানুষের।
মূলত, শনিবার সকাল থেকে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মধ্যপ্রাচ্য। ইরানের (Iran) উপর হামলা চালায় আমেরিকা-ইরান। সেই হামলাতেই মৃত্যু হয়েছে আয়াতোল্লা খামেনই’র। জানা গিয়েছে, নিজের দফতরে কাজ করছিলেন তিনি। সেই সময় ক্ষেপনাস্ত্র এসে পড়ে সেখানে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। এৎ পরেই খামেনি’র অফিস ধুলিসাৎ হয়ে যায়।
আরও খবর : ড্রোনের বর্ষণ! জ্বলছে বন্দর, এয়ারপোর্ট! ক্ষতিগ্রস্ত দুবাইয়ের গর্ব ‘বুর্জ’
ইরানের বাহিনীর রেভলিউশনারি গার্ড জানিয়েছে, খামেনি’র আত্মগোপন করেননি। তিনি কাজ করছিলেন। ইরানের সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুতে প্রত্যাঘাত হবেই বলে জানানো হয়েছে। আমেরিকা ও ইজরায়েলের বাহিনীকে নিশানা করে ‘ইতিহাসের সবচেয়ে তীব্র হামলা’র হুঁশিয়ারি দিয়েছে তারা। এই তীব্রতম হামলা শুরু হবে আর কিছুক্ষণের মধ্যেই।
প্রসঙ্গত, শনিবার রাতেই খামেনেইয়ের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। অপরদিকে রবিবার সোশ্যাল মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে (Truth Social) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (US President Donald Trump) বলেন, ‘ইতিহাসের অন্যতম এক নিষ্ঠুর ব্যক্তি খামেনি মারা গিয়েছেন। এটি শুধু ইরানের মানুষের জন্যই নয়, বরং সেইসব মার্কিনি এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানুষের জন্যও এক ন্যায়বিচার হয়েছে বিচার। যাদের খামেনি এবং তার রক্তপিপাসু গুন্ডাবাহিনী হত্যা কিংবা পঙ্গু করে রেখেছিল। তিনি আমাদের গোয়েন্দা এবং অত্যন্ত উন্নত ট্র্যাকিং সিস্টেম থেকে বাঁচতে পারেননি। ইজরাইলের সঙ্গে মিলে আমরা এমন এক অভিযান চালিয়েছি যে, খামেনি বা তার সঙ্গে মারা যাওয়া অন্য নেতাদের আসলে কিছুই করার ছিল না।‘
দেখুন অন্য খবর :







