ওয়েব ডেস্ক: মার্কিন আগ্রাসনে বিশ্বজুড়ে তৈরি হয়েছে এক উদ্বেগের পরিস্থিতি। এর মাঝেই আমেরিকার (USA) আকাশে দেখা গেল এক রহস্যময় বিমানকে। ‘ডুমসডে প্লেন’ (Doomsday Plane), যেটিকে এক উড়ন্ত পেন্টাগন (Flying Pentagon) বলে ডাকা হয়। আর মার্কিন আকাশে এই বিমানের দেখা মেলায় শুরু হয়েছে বিভিন্ন জল্পনা। আমেরিকা কি এবার কোনও বড়সড় আগ্রাসী পরিকল্পনা করছে? এই নিয়ে শুরু হয়েছে চর্চা।
মার্কিন ফ্লাইট-ট্র্যাকিং তথ্য বলছে, সম্প্রতি ডুমসডে বিমানটি নেব্রাস্কার অফাট এয়ার ফোর্স বেস থেকে প্রথমে ওয়াশিংটন ডিসির কাছে অবস্থিত মেরিল্যান্ডের ক্যাম্প স্প্রিংসের দিকে যায়। সেখান থেকে সেটি পৌঁছয় লস অ্যাঞ্জেলেসে। সাধারণত এই ধরনের বিমান জনসমক্ষে খুব কমই দেখা যায়। তাই দেশের আকাশে এই রহস্যজনক উড়ানের ভিডিও ভাইরাল হতেই ‘খেমখেয়ালি’ ট্রাম্পের (Donald Trump) পরিকল্পনা নিয়ে ছড়াচ্ছে নানা তত্ত্ব।
আরও পড়ুন: সিরিয়ায় আক্রমণ আমেরিকার, আকাশপথে ৩৫ টি নিশানায় গোলাবর্ষণ
‘ডুমসডে’ হল বোয়িং ই-৪-বি সিরিজের ‘নাইটওয়াচ’ বিমান মূলত জরুরি পরিস্থিতিতে ব্যবহারের ভ্রাম্যমাণ কমান্ড সেন্টার হিসেবে এর ব্যবহার করে মার্কিন সরকার। এই বিমানে একসঙ্গে প্রায় ১১১ জন থাকতে পারেন। এর ভিতরে রয়েছে কমান্ড ওয়ার্ক এরিয়া, কনফারেন্স রুম, ব্রিফিং রুম, অপারেশন টিমের কাজের জায়গা, যোগাযোগ কেন্দ্র এবং বিশ্রাম কক্ষ। বিমানটি একটানা ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত আকাশে থাকতে পারে এবং আকাশেই জ্বালানি নেওয়ার সুবিধা থাকায় আরও দীর্ঘ সময় উড়তে সক্ষম।
🚨🌎 Presidential Doomsday Plane is spotted leaving LA International
This is essentially a Nuclear proof undetectable Airborne Command Unit.
Probably not a good sign. pic.twitter.com/shh9aH1bWB
— Concerned Citizen (@BGatesIsaPyscho) January 9, 2026
সব মিলিয়ে, এই ‘ডুমসডে প্লেন’ কার্যত আকাশে ভাসমান একটি পেন্টাগন। দেশে পারমাণবিক হামলা হলেও সরকার ও সামরিক নেতৃত্বের কার্যক্রম চালু রাখতে সক্ষম এই ডুমসডে। এরকম বিমান বিশ্বে মাত্র চারটিই রয়েছে। সেই কারণেই আচমকা এই বিমানের দর্শন মেলায় তৈরি হয়েছে রহস্য ও কৌতূহল।
দেখুন আরও খবর:







