ওয়েব ডেস্ক: ১৯৬৯ সালে প্রথমবার চাঁদে মানুষ পাঠিয়েছিল নাসা (NASA)। অ্যাপোলো-১১ মহাকাশযানে চড়ে চাঁদে পা রেখেছিলেন নীল আর্মস্ট্রং এবং এডুইন অলড্রিন। শেষবার ১৯৭২ সালে হয়েছিল এমন অভিযান। তারপর থেকে কেটে গিয়েছে পাঁচ দশকের বেশি সময়। কিন্তু চাঁদে আর মানব মিশনের (Lunar Human Mission) কোনও পরিকল্পনা করেনি মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। তবে ২০২৬-এ সেই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। আর্টেমিস-২ (Artemis II) মিশনে ফের পৃথিবীর উপগ্রহে মহাকাশচারীদের পাঠাতে চলেছে নাসা।
ইতিমধ্যে এই ঐতিহাসিক মিশনের জন্য স্পেস লঞ্চ সিস্টেম এবং ‘ওরিয়ন’ মহাকাশযানকে হ্যাঙ্গার থেকে লঞ্চ প্যাডে নিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। নাসা জানিয়েছে, ১৭ জানুয়ারি বিশাল এই রকেটটিকে সরিয়ে ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টারের লঞ্চ প্যাড ৩৯বি-তে নিয়ে যাওয়া হবে। ঘণ্টায় মাত্র এক মাইল গতিতে প্রায় চার মাইল পথ পাড়ি দেবে রকেটটি। ফেব্রুয়ারি ৬ সম্ভাব্য উৎক্ষেপণের তারিখ হিসেবে ঠিক করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনও নিশ্চিতভাবে কিছুই জানানো হয়নি নাসা-র তরফে।
আরও পড়ুন: মহাশূন্যে অসুস্থ মহাকাশচারী! ফিরিয়ে আনতে কী করল NASA? দেখুন ভিডিও
মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা জানিয়েছে, আর্টেমিস–২ মিশনে চার জন মহাকাশচারী অংশগ্রহণ করবেন। রিড ওয়াইজম্যান থাকবেন মিশন কমান্ডার হিসেবে, ভিক্টর গ্লোভারকে নিযুক্ত করা হয়েছে পাইলট পদে, ক্রিস্টিনা কক থাকছেন মিশন স্পেশালিস্ট হিসেবে এবং জেরেমি হ্যানসেনও থাকছেন মিশন স্পেশালিস্ট হিসেবে, যিনি কানাডিয়ান স্পেস এজেন্সি থেকে এই অভিযানের জন্য নিযুক্ত হয়েছেন।
প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, এই মিশনে প্রায় ১০ দিনের জন্য চাঁদের চারদিকে ঘুরে আসবেন এই চার মহাকাশচারী। এটি মূলত একটি ‘টেস্ট ড্রাইভ’ হতে চলেছে। এই মিশনে গভীর মহাকাশে মানুষের জীবনরক্ষা ব্যবস্থাগুলি ঠিকভাবে কাজ করছে কী না, তা যাচাই করা হবে। নাসা জানিয়েছে, এই অভিযান সফল হলে ভবিষ্যতে চাঁদের বুকে মানুষের অবতরণের পথ প্রশস্ত হবে।
দেখুন আরও খবর:







