ওয়েবডেস্ক- আজ উত্তরবঙ্গ (North Bengal) থেকে ভোটের (Election Campaign) প্রচার শুরু করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উত্তরবঙ্গ যাওয়ার আগে নির্বাচন কমিশনকে (Election Commission) একহাত নিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। কমিশনের কাজে ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী।
রাতে কমিশনের তালিকা বের করা নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এই নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ নয়। কমিশনের ঝুলি থেকে বিড়াল বেরিয়ে পড়েছে। তীব্র ধিক্কার জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Cm Mamata Banerjee) বলেন, মধ্যরাতে তালিকা বের করার কী দরকার ছিল? মানুষ জানতেই পারছে না, তার নাম আছে কিনা। তালিকা বের করতে এত ভয় কেন? অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য দায় এড়ানো যায় না।
এদিন তৃণমূল সুপ্রিমো রং না দেখে ডান-বাম সবাইকে পাশে থাকার আহ্বান জানান। রং বিচার না করে সবাই জোট বাঁধুন। গণমাধ্যমকেও প্রতিবাদে শামিল হওয়ার আহ্বান। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমার পাশে থাকার দরকার নেই, মানুষের পাশে থাকুন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, গণতন্ত্রকে বাঁচাতে একজোট হওয়া হোক সবাই।
তাঁর প্রশ্ন, কার ইশারায় চলছে কমিশন? রিটানিং অফিসার বদলি নিয়েও তোপ দাগেন তিনি।
আরও পড়ুন- রামনবমীর মিছিলে মানতে হবে এই ৭ শর্ত! অঞ্জনি পুত্র সেনাকে কী নির্দেশ দিল হাইকোর্ট? দেখে নিন একনজরে
গতকাল ৭০ জন রিটানিং অফিসারকে বদলি করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছেন ভবানীপুরের রিটানিং অফিসার। তীব্র প্রতিবাদ জানান তিনি।
আজ উত্তরবঙ্গের উদ্দেশে রওনা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে ভোটের প্রচার শুরু করবেন তিনি। এদিন যাওয়ার আগে কলকাতা এয়ারপোর্টে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে তিনি কমিশনকে নিশানা করে একের পর এক তোপ দাগেন।
একসঙ্গে ভোটের কর্মসূচি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমি প্রচারে বেরোচ্ছি, চালসা যেতে যেতে বিকেল হয়ে যাবে। কাল ময়নাগুড়ি থেকে ডাবগ্রাম, তারপর মাটিগাড়া হয়ে শিলিগুড়িতে থাকব। পরশু অন্ডাল হয়ে পাণ্ডবেশ্বর আসব।
ইলেকশন কমিশনের নোটিফিকেশনে বিজেপির সিম্বল। এরা কার কোথায় চলছে? নন্দীগ্রামের বিডিও চলে আসছে ভবানীপুর, গদ্দারের নিজের লোক বলে। Now the cat is out of the bag। কমিশনকে তীব্র কটাক্ষ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, পেছন থেকে খেলছেন কেন? মধ্যরাতে SIR লিস্ট কেন বেরোবে? পাবলিক জানে না। আরও দুজন আত্মহত্যা করেছে। লিস্ট বের করতে ভয় কেন? স্বচ্ছতা নেই তাই। জাজেরা তো আগেই করে দিয়েছেন। ৬/৭ দিন এক্সট্রা লাগলো কেন? কোনো দলের নাম ঢোকাতে?
মুখ্যমন্ত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ক্ল্যারিকাল মিসটেক না পলিটিক্যাল ইন্টেনশন। কেনো তারা এত ভীত সন্ত্রস্ত, আমি শিলিগুড়ি পৌঁছানোর পরেই বের করবে? কেন তারা মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। SIR ওদের শেষ করবে, মনে রাখবেন। কে বাম কে ডান, এটা ভাবার এখন সময় নেই, আমার পাশে দাঁড়াতে হবে না। মানুষের পাশে দাঁড়ান।







