ওয়েব ডেস্ক : কুলতলি (Kultali) থানার একটি অপহরণ মামলার তদন্ত ঘিরে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করল কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি দেবাংশু বসাকের ডিভিশন বেঞ্চ। ২০২৩ সালের অভিযোগের পরও দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হল না? তা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়।
এদিন বিচারপতি দেবাংশু বসাক এই মামলা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, “দেওয়ানি সমস্যা থাকলেও, তা অপহরণের (kidnapping case) মতো ফৌজদারি অভিযোগে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা যাবে না?” তিনি আরও বলেন, “২০২৩ সাল থেকে এখনও পর্যন্ত তদন্তের কোন গতি নেই। অভিযুক্ত জামিনে নেই, তা সত্তেও তাঁকে কেন গ্রেফতার করা হল না? এমনকি তাকে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়নি।” এর পরে রাজ্যের আইনজীবী জানান, অপহৃত ব্যাক্তি মানসিক অবসানগ্রস্ত ছিল। এছাড়াও অভিযুক্তদের সঙ্গে দেওয়ানি সমস্যা দীর্ঘদিন ধরে চলছিল।
আরও খবর : BJP-র এই ডবল ইঞ্জিন চলছে ট্রিপল ট্যাক্স-এ, কটাক্ষ অভিষেকের
তবে বিচারপতি এদিন আরও বলেন, “অপহৃতের মোবাইল বা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর খতিয়ে দেখা হয়নি। আমরা মনে করছি এটা শুধু তদন্তের গাফিলতি নয়। এর পিছনে অন্য কারণ রয়েছে। অপহরণকারীকে মানসিক রোগগ্রস্ত বলা হল, তার কোন নথি কেস ডাইরিতে নেই। মৌখিকভাবে একজনকে মানসিকগ্রস্ত বলা যায় না। এমনকি ২০২৩ সাল থেকে তদন্ত চলছে। এখনও পর্যন্ত কোন চার্জশিট নেই। অপহৃতকে খুঁজেও পাওয়া যায়নি।”
অপহৃতের ভাই দীপক কয়ালের আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি আদালতে জানান, অপহৃত ব্যক্তি মানসিকগ্রস্ত ছিলেন এটা পরিবারের জানা নেই। তবে অপহৃতের একটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট রয়েছে। সুতরাং তদন্তকারী অফিসাররা যে বলছে তার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নেই, এটা সত্য নয়।
পরিস্থিতি বিবেচনায় কুলতলি থানার আইসিকে সতর্ক করে দিয়েছে আদালত। তদন্তে আগামী দিনে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, তার বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যথায় উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে বেঞ্চ। মামলার পরবর্তী শুনানি নির্ধারিত হয়েছে বৃহস্পতিবার।
দেখুন অন্য খবর :







