ওয়েবডেস্ক- ইকো পার্কের (Eco Park) মর্নিং ওয়াক (Morning Walk) থেকে ফের আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে দেখা গেল বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষকে (Dilip Ghosh) । সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি নিশানা করেন রাজ্যের শাসকদলকে। সেইসঙ্গে রাহুল গান্ধী থেকে অখিলেশ যাদবকেও আক্রমণ করলেন তিনি।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে দিলীপ ঘোষ বলেন, রাহুল গান্ধী, অখিলেশবাবু এঁরা বাংলাদেশ-পাকিস্তানের প্রশংসা করেন। ভারত সরকার, ভারতের আদালত, নির্বাচন কমিশন ভারতের আদালতের এঁরা প্রশংসা করেন না। এর থেকে বোঝা যায়, এদের মানসিকতা কী, এদের মনটা কোথায় আছে? সাংবাদিকরা দিলীপ ঘোষকে হুমায়ুন কবিরের বক্তব্য তুলে ধরে বলেন, ‘জাফরাবাদে তৃণমূলের জনপ্রতিনিধি আর পুলিশ ইচ্ছে করে দেরিতে গিয়েছিল, জাফরাবাদের ঘটনা তৃণমূলের চক্রান্ত।‘
দিলীপ ঘোষ বলেন, তিনি (হুমায়ুন কবির) তৃণমূলে ছিলেন, তৃণমূলের ভিতরের খবর তিনি ভালো বলতে পারবেন। যে ঘটনা ঘটেছে সেটা সন্দেহজনক, এখনও পর্যন্ত চাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। কত মারা গেছে, কী হয়েছে, তাদের পরিবারকে কিছু জানানো হচ্ছে না। এটা চক্রান্ত ছিল, ঠিক ঠাক তদন্ত হলে বোঝা যাবে। তৃণমূল ইচ্ছে করে এটা করিয়েছে। সেইসঙ্গে তিনি বলেন, এই কথা আমরা বলছি না, তাদের পরিবারের লোকের সঙ্গে আমরা কথা বলেছিলাম, তারাই এই কথা বলছে।
সাংবাদিকরা ফের হুমায়ুন কবিরে মন্তব্য তুলে ধরে তাঁর সামনে, ‘বাবরের নামে না করে অন্য নামে মসজিদ করলে প্রচার হত না। বাবরের নামে মসজিদের কারণে মানুষ আমার পাশে’। দিলীপ ঘোষ বলেন, ওঁনার হুমায়ুন বলে উনি বাবরের নামে মসজিদ তৈরি করছেন তাহলে? নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ আছে? দিলীপ ঘোষ বলেন, যে বিদেশি আক্রমণকারীর নামে সৌধ নির্মাণ করে, তাকে কখনও ভারতের মানুষ শ্রদ্ধা-সম্মান করবে না। আমি মসজিদ বানান, আপনার ধর্মীয় বিশ্বাসে উপরে। কিছু একজন বিদেশি আক্রমণকারীর নামে মসজিদ বানালে ভারতের লোক তাকে কখনও বিশ্বাস করবে না, স্বীকার করবে না। আমার যতদূর জানা আছে, ইসলামে কোনও ব্যক্তির নামে সৌধ বা মসজিদ হয় না।
আরও পড়ুন- উন্নয়ন VS হিন্দুত্ব! ভোটের আগেই দেওয়াল লিখনের ঝড় বাঁকুড়ার এই কেন্দ্রে
সাংবাদিকদের প্রশ্ন, তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিদের টাকা তুলতে হয়, শুধু বীরভূমেই প্রতি মাসে ৫২ কোটি টাকা ওঠে? দিলীপ ঘোষ বলেন, মমতা ব্যানার্জি বলেছেন, তার দলের কে কে টাকা নেয়, ওপেন সিক্রেট। এখানে তার সরকার চলে, সরকারের পার্টি চলে। এগুলো নতুন কিছু না, এর সমাধান কী? তিনি ফের বলেন, যতদিন তৃণমূল আছে, এগুলির সমাধান হবে না। ফের সাংবাদিকরা হুমায়ুনের প্রশ্ন তুলে ধরেন যে, সিপিএমের ঝামেলার জন্য আমি দায়ী নই, সাম্প্রদায়িক লোকের সঙ্গে সেলিম বসেছিলেন কেন? কত বার কোন কোন হোটেলে বৈঠক সিপিএম জানত না? দিলীপ বলেন, এই সব নিয়ে আমাদের চিন্তার কোনও কারণ নেই, সিপিএম-কংগ্রেস কোন দিকে যাবে। হুমায়ুন কবির কোনও দিকে যাবে, এটা ওদের ব্যাপার। ভারতীয় জনতা পার্টি, সাধারণ মানুষের দিকে আছে, মানুষ বিজেপির দিকে যেতে চায়।







