ওয়েবডেস্ক- পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে (West Bengal Election 2026) ঘিরে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। একদিনে তৃণমূল নেত্রী ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যখন নির্বাচনী প্রচারে (Election Campaign) ব্যস্ত ঠিক তখনই বাংলায় এলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। ফের অনুপ্রবেশকারী (Infiltrators) নিয়ে সরব হলেন অমিত শাহ। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এত অনুপ্রবেশকারী ঢুকছে, আর মমতাজির সরকার কী ঘুমোচ্ছে? এখানে প্রশ্ন তোলা হবে, বিএসএফ (BSF) কী করছে? বিএসএফ তখনই কিছু করতে পারবে, আপনি কি সীমান্তে বেড়া লাগাতে দেবেন?
বিজেপি ক্ষমতায় আসার ১৫ দিনের মধ্যে সীমান্তে বেড়া দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় জমি এ রাজ্যের বিজেপি সরকার কেন্দ্রকে দেবে। অমিত শাহ বলেন, মমতা যা খুশি অভিযোগ আনতে পারেন, কিন্তু অনুপ্রবেশকারী আমরা বার করবই। কেন শুধু এই রাজ্যের এসআইআর নিয়ে সুপ্রিম কোর্টকে বিচারবিভাগীয় আধিকারিক নিয়োগ করতে হল? কারণ এখানকার জেলাশাসকেরা নির্ভয়ে কাজ করছিলেন না। অমিত শাহ বলেন, অসমে অনুপ্রবেশ বন্ধ হয়েছে। এখন একটাই রাস্তা বাকি অনুপ্রবেশের। তাই পশ্চিমবঙ্গের ভোট গোটা দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। দেশের সুরক্ষা জড়িত এর সঙ্গে।
আরও পড়ুন- ‘লালবাতির গাড়ি নয়’, মঞ্চ থেকেই প্রার্থীকে বার্তা মমতার, পাল্টা তোপ শাহের
অমিত শাহ বলেন, বিজেপি শুধু ভোটার তালিকা থেকে নয়, দেশ থেকেও অনুপ্রবেশকারীদের তাড়িয়ে দেবে। সারা দেশেই এসআইআর চলছে, কিন্তু কোথাও বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের নিয়োগ করতে হয়নি, শুধু এই বাংলাতেই হয়েছে। এর কারণ কী? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উচিত বাংলা মানুষকে এর জবাব দেওয়া। অমিত শাহের প্রশ্ন, আমি বাংলার মানুষকে জিজ্ঞাসা করতে চাই, এখানে যে অনুপ্রবেশকারীদের রাখা হয়েছে, তারা কি বাংলার ভবিষ্যৎ ঠিক করবে। আমি বিজেপি পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে, আমরা প্রত্যেক অনুপ্রবেশকারীদের শুধু ভোটার তালিকা থেকে সারা দেশ থেকে খুঁজে বের করে তাড়ানোর জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, এটাই আমাদের দলের অ্যাজেন্ডা।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, ৬ মে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সরকার তৈরি হবে এবং ৪৫ দিনের মধ্যে সীমান্ত বেড়া দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় জমি বাংলার বিজেপি সরকার ভারত সরকারকে দেবে। আমরা অনুপ্রবেশ বন্ধ করব।”







