ওয়েব ডেস্ক : সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) আবার পিছিয়ে গেল আইপ্যাক (I-PAC) মামলার শুনানি। এদিন প্রশান্তকুমার মিশ্র এবং বিচারপতি সঞ্জীব মেহতার এজলাসে শুনানি হয়। এদিন শুনানিতে ইডির (ED) তরফে আদালতে একটি হলফনামা জমা দেওয়া হয়েছিল। সেখানে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা অভিযোগ করেছে, তদন্তের সময় জোর করে ভিতরে ঢুকে নথি ছিনিয়ে নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সঙ্গে তদন্তকারী সংস্থার মৌলিক অধিকার খর্ব করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছে ইডি। এদিন রাজ্যের তরফে অভিযোগ করা হয়েছে, কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে অস্ত্র হিসাবে ব্যবহার করছে কেন্দ্রীয় সরকার। বেশ কিছুক্ষণ এ নিয়ে সওয়াল জবাবের পর রিজয়েন্ডার দাখিল করার জন্য সময় চেয়ে নেন ইডি এবং সলিশিটর জেনারেল। তার পরেই এই মামলা আরও পিছিয়ে দেওয়া হয়। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ১৮ মার্চ।
এদিন শুনানিতে কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে অস্ত্র হিসাবে ব্যবহারের অভিযোগকে খারিজ করেছে কেন্দ্রীয় সরকারের অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল এসজি রাজু। তিনি পাল্টা জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় এজেন্সিকেই ভয় দেখানো হচ্ছে। বেশ কিছুক্ষণ দুই পক্ষের সওয়াল-জবাবের পর সময় চেয়ে নেন ইডি ও সলিশিটর জেনারেল। সেই মতো এই মামলার শুনানি আগামী ১৮ মার্চ ধার্য করা হয়েছে। এ নিয়ে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, কেন্দ্রের তরফে সময় চাওয়া হয়েছিল। তা মেনে নিয়েছে শীর্ষ আদালত। পরবর্তী শুনানিতে এই মামলা কতটা যুক্তিপূর্ণ, তা শুনবে বলে জানিয়েছেন তৃণমূল সাংসদ।
আরও খবর : রাজ্যসভার ৩৭টি আসনে নির্বাচনের দিন ঘোষণা কমিশনের!
উল্লেখ্য, কয়লা পাচার মামলায় আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের (I-PAC Pratik Jain) বাড়ি এবং সল্টলেকে সংস্থার অফিসে হানা দিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। তল্লাশি চলাকালীন সবাইকে অবাক করে দিয়ে দুই জায়গাতে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। বেশ কিছু নথিপত্র নিয়ে এসেছিলেন। তা নিয়ে জোর বিতর্ক হয়েছিল। সেই জল গিয়ে গড়িয়েছিল সুপ্রিম কোর্টে। তার পরেই তদন্তে বাধা এবং নথি কেড়ে নেওয়ার অভিযোগে শীর্ষ আদালতে মামলা করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।
এই মামলায় সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) রাজ্যের আইনজীবী জানিয়েছিলেন, তদন্ত সংক্রান্ত কোনও নথি নেওয়া হয়নি। বরং দলীয় নথি বের করেছিল ইডি আধিকারিকরা। রাজ্যের আইনজীবী প্রশ্ন তুলেছিলেন, কেন ভোটের আগে তল্লাশির প্রয়োজন ছিল? কিন্তু বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর এমন পদক্ষেপ নিয়েও সংঘাত তৈরি হয়। তার পরেই তা গড়ায় সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। আজ সেই মামলার আবার শুনানি হয়। কিন্তু তা আবার পিছিয়ে দেওয়া হয়।
দেখুন অন্য খবর :







