ওয়েব ডেস্ক: গুজরাতের (Gujarat) শিব মন্দিরের একটি পরিত্যক্ত কোণা, যেখানে যেত না কেউই, সেখানেই লুকনো ছিল প্রচুর পরিমাণে বাঘের চামড়া (Tiger Skin) এবং নখ (Tiger Nail)। এই ছবি সামতে আসতেই ফের একবার ‘ডবল-ইঞ্জিন’ রাজ্যের ভয়ঙ্কর বণ্যপ্রাণ অপরাধের (Wildlife Crime) ছবিটা স্পষ্ট হল দেশজুড়ে। ঘটনা গুজরাতের নর্মদা জেলার রাজপিপলার কাছে ধর্মেশ্বর মহাদেব মন্দির (Dharmeshwar Mahadev Temple) চত্বরের।
জানা গিয়েছে, এই মন্দিরে অবস্থিত একটি পুরানো কাঠামো থেকে বিপুল পরিমাণ বাঘের চামড়া ও নখ উদ্ধার করেছে গুজরাতের বন দফতর (Forest Department)। আধিকারিকদের মতে, এ রাজ্যে এই ধরনের ঘটনা এই প্রথম। এর আগে এত বিপুল পরিমাণে বণ্যপ্রাণীর চামড়া ও নখ উদ্ধার হওয়া এককথায় গোটা দেশে এক নজিরবিহীন ঘটনা।
আরও পড়ুন: ইন্দোর, গান্ধীনগরের পর এবার নয়ডা! জল খেয়ে অসুস্থ বাসিন্দারা
জানা গিয়েছে নর্মদা জেলার ধর্মেশ্বর মহাদেব মন্দির চত্বরে তল্লাশি অভিযানে বন দফতরের হাতে এসেছে ৩৭টি সম্পূর্ণ বাঘের চামড়া, চারটি বাঘের চামড়ার টুকরো এবং প্রায় ১৩৩টি বাঘের নখ। সবকটি সামগ্রী মন্দির চত্বরে থাকা একটি পুরনো ও পরিত্যক্ত কক্ষের ভিতর গোপনে লুকিয়ে রাখা ছিল।
মন্দিরের সেবাইতরাই প্রথম বন দফতরকে সন্দেহজনক সামগ্রীর বিষয়ে খবর দেন। সেই খবরের ভিত্তিতে দ্রুত পদক্ষেপ নেন রেঞ্জ ফরেস্ট অফিসার জিগনেশ সোনি এবং তাঁর দল। বিস্তারিত তল্লাশির পর যে বিপুল পরিমাণ বন্যপ্রাণ সামগ্রী উদ্ধার হয়, তাতে বন আধিকারিকরাও হতবাক হয়ে যান।
এই ঘটনা স্পষ্ট করে দিল, কীভাবে বন্যপ্রাণ অপরাধের ঘটনাকে এভাবে মন্দিরের মতো পবিত্র স্থানের এক্কেবারে অন্দরে দীর্ঘদিন ধরে আড়ালে রেখে যেওয়া যা। সেই সঙ্গে গুজরাতের মতো রাজ্যে বাঘ সংরক্ষণ নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। একইসঙ্গে মানুষের হাতে বণ্যপ্রাণীদের নির্মম পরিণতির ছবিটাও সামনে এল এই ঘটনা থেকেই।
দেখুন আরও খবর:







