কলকাতা: রাজ্যে বিধানসভা ভোটের (WB Assembly Elections) দামামা বেজে গিয়েছে। সেই মত প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলোর অন্দরে। এই আবহে বিধানসভা ভোটে কত সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force Deployment) আসবে কলকাতায়, কোথায় কত বাহিনী রাখা হবে, তা জানতে নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক পুলিশ কর্তাদের। ইতিমধ্যেই পরিকাঠামো জানতে থানাগুলিকে চিঠি দিয়েছে লালবাজার। প্রত্যেক থানাগুলিকে মঙ্গলবারের মধ্যেই জানাতে হবে, তাঁদের থানা এলাকায় কোন কোন জায়গা স্পর্শকাতর।
পশ্চিমবঙ্গে যেকোন নির্বাচনের আগে এবং পরে বারবার পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে দেখা গিয়েছে। ভোট পরবর্তী হিংসায় জ্বলেছে একাধিক এলাকা। এমতাবস্থায়, ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার আগেই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন নিয়ে বিশেষ তৎপর হল কমিশন।সূত্রের খবর, কমিশনের সঙ্গে রাজ্য পুলিস কর্তাদের বৈঠক হওয়ার পরে ইতিমধ্যেই এই মর্মে বিভিন্ন থানায় চিঠি দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনী এলে তাঁদের কোথায় রাখা হবে, বা যদি কোন ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা বাড়ে, তাহলে সেক্ষেত্রে বিকল্প জায়গা তৈরি আছে কিনা, তাও জানতে চাওয়া হয়েছে চিঠিতে।
আরও পড়ুন: কেন্দ্রীয় বাহিনী ও এনআইএ তদন্ত নিয়ে কড়া বার্তা কলকাতা হাইকোর্টের
গত বিধানসভা নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা যে যে জায়গা গুলোতে ছিলেন, বর্তমানে সেই জায়গা গুলোর পরিস্থিতি কেমন, তাও লিখিত আকারে লালাবাজারকে জানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ২৪৬ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী এসেছিল। কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যে এলেও, তাদের কোথায় রাখা হবে, সেই সমস্ত জায়গার কী পরিকাঠামো সেটাই বিস্তারিত জানাতে হবে। সাধারণত স্কুল, কলেজ, অতিথিশালা, গেস্টহাউজে কেন্দ্রীয় বাহিনী রাখা হয়। সেগুলির বর্তমান অবস্থা কেমন রয়েছে, সেগুলিও জানাতে হবে।ছাব্বিশের নির্বাচনে বাংলায় কত দফায় ভোটগ্রহণ হবে? তা নিয়েও একটা আভাস মিলেছিল জাতীয় নির্বাচন কমিশনের বৈঠকে। নির্ঘণ্ট ঘোষণা না হলেও জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহেই এই নিয়ে আলোচনা করেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। নয়াদিল্লিতে কমিশনের এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের সিইও মনোজ আগরওয়াল। একুশের নির্বাচনে ৮ দফায় ভোটগ্রহণ হয়েছিল। সূত্রের খবর, এবারের নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে আরও বেশি বাহিনী চেয়েছেন CEO।







