ঝাড়গ্রাম: বালিপাচার মামলার তদন্তে বড় পদক্ষেপ নিল ইডি (Enforcement Directorate)। প্রায় ১১ ঘণ্টা টানা জিজ্ঞাসাবাদ ও তল্লাশির পর সোমবার রাতের দিকে অভিষেক পাত্রর বাড়ি থেকে বেশ কিছু নথি বাজেয়াপ্ত করে বেরিয়ে আসে তদন্তকারী দল। সকাল থেকেই তার বাড়িতে অভিযান চলছিল।
৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫। কেশিয়াড়ি থানার পুলিশ জাল সিও (Short Issue Order) ব্যবহার করে বালি পরিবহনের অভিযোগে দুটি বালিবোঝাই লরি আটক করে এবং দু’জন চালককে গ্রেফতার করে। গ্রেফতার হওয়া চালকদের একজন ছিলেন ব্যবসায়ী অরুণ সরাফের গাড়ির ড্রাইভার।
আরও পড়ুন: হুগলিতে এবার একটুকরো কালীঘাট ! আর সেখানে মা কালীর রঙ সবুজ!
পুলিশি জেরায় উঠে আসে ফেক সিও ব্যবহারের অভিযোগ। অরুণ সরাফের সংস্থা G.D Mining–এর নামে জাল সিও দেখিয়ে বালি পাচার চলছিল বলে জানতে পারে পুলিশ। পরে রাজ্য পুলিশের এই মামলা ইডির মূল বালিপাচার মামলার সঙ্গে যুক্ত করা হয়।
এই মামলায় অভিষেক পাত্রর নাম উঠে আসে। ইডি সূত্রে দাবি, অরুণ সরাফের বালি মাপার কেন্দ্র ‘মা জগদ্ধাত্রী’ ওয়েব্রিজে কাজ করেন অভিষেক। অভিযোগ, জাল সিও নথি তার মাধ্যমেই সরবরাহ হত।
ইডি বাজেয়াপ্ত করা নথিগুলি এখন খুঁটিয়ে দেখছে। তদন্তকারীদের আশা, এই নথি বালিপাচার চক্রের পরিধি ও টাকার লেনদেন সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিতে পারে।
দেখুন আরও খবর:







