ওয়েব ডেস্ক : ভোটের আগে কমিশনের (Election Commission) নির্দেশে কলকাতার পুলিশ কমিশনার সুপ্রতিম সরকারকে (Supratim Sarkar) সরিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তাঁর জায়গায় নিয়ে আসা হয়েছে অজয় নন্দা-কে। কিন্তু এবার জানা গেল, কলকাতা প্রাক্তন সিপি-কে পাঠানো হল এডিজি, সিআইডি, পশ্চিমবঙ্গের অতিরিক্ত এডিজি ও কলকাতার আইবি পদে। এছাড়া রাজ্য পুলিশের (Police) আরও বেশ কয়েকটি পদে বদল নিয়ে আসা হয়েছিল। তাঁদেরকেও অন্যান্য পদে নিয়ে আসা হয়েছে।
রাজ্য পুলিশের ডিজি পদেও পরিবর্তন করা হয়েছে। পীযূষ পাণ্ডের বদলে আপাতত দায়িত্বে আনা হয়েছে সিদ্ধিনাথ গুপ্তাকে। আর পীযুষ পাণ্ডেকে পাঠানো হয়েছে ডিরেক্টর, সিকিউরিটি ও পশ্চিমবঙ্গের ডিজিপি পদে। এদিকে এডিজি, আইনশৃঙ্খলা পদে বিনীত গোয়েলের বদলে দায়িত্ব পেয়েছেন অজয় মুকুন্দ রানাডে। আর বিনীত গোয়েলকে পাঠানো হয়েছে ডিজি এবং আইজিপি, আইবি ডিজিপির অতিরিক্ত দায়িত্ব ও এসিবি পশ্চিমবঙ্গ পদে।
আরও খবর : ফের বড় পদক্ষেপ কমিশনের! এবার সরানো হল ডিজি ও সিপি-কে
এছাড়া মনোজ কুমার বর্মাকে পাঠানো হয়েছে ডিরেক্টর, সিকিউরিটি ও ডিজিপি পশ্চিমবঙ্গ পদে। এছাড়া লক্ষ্মী নারায়ণ মীণাকে পাঠানো হয়েছে এডিজি, পশ্চিমবঙ্গ অ্যাডিশনাল কারেকশনাল পদে। অন্যদিকে কমিশন নতুন যাঁদের দায়িত্ব দিয়েছে, তাঁদেরকে আজ দুপুর ৩টের মধ্যে নয়া দায়িত্ব নেওয়ার কথা বলা হয়েছিল কমিশনের তরফে।
উল্লেখ্য, ৯ মার্চ রাজ্যের ভোট পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে এসেছিল জাতীয় নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) ফুল বেঞ্চ। পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকে বেশ কড়া ভাষায় কথা বলেছিলেন তিনি। খোঁজ নিয়েছিলেন রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও। বারবার পুলিশকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, হিংসামুক্ত ভোট করাতে পুলিশকে দায়িত্ব নিতে হবে। এরপরই রবিবার ভোট ঘোষণা করা মাত্র আইএএস, আইপিএস-দের প্রায় সব পদেই রাতারাতি রদবদল। এই ঘটনা বাংলার ভোটের ইতিহাস সত্যিই নজিরবিহীন। বিশেষত মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব থেকে কলকাতার পুলিশ কমিশনার, রাজ্য পুলিশের ডিজিকেও কয়েকঘণ্টার মধ্যে সরিয়ে দেওয়ার নেপথ্যে কেন্দ্রের শাসকদলের ‘প্রভাব’ দেখছে রাজ্যের শাসক শিবির।
দেখুন অন্য খবর :







