কলকাতা: একদিকে প্রেম দিবস (Valentine’s Day), অন্যদিকে ‘ফাল্গুনস্য প্রথম দিবস’—বসন্তের ফুরফুরে আবহেই নতুন জীবনের সূচনালগ্ন উদ্যাপন করলেন রণজয় বিষ্ণু (Ronojoy Bishnu) ও শ্যামৌপ্তি মুদলি (Shyamoupti Mudly)। শনিবার দুপুরে প্রকাশ্যে আসে তাঁদের গায়ে হলুদের ছবি। আর সেই ছবি ঘিরেই চর্চা, সাজে-আয়োজনে একঝাঁক নতুনত্ব। এখন গায়েহলুদ মানেই শুধু হলুদ শাড়ি, ফুলের গয়না আর গালে-নাকে হলুদের ছোঁয়া নয়; বরং স্টাইল-স্টেটমেন্ট। সেই পরীক্ষাতেই উজ্জ্বল রণজয়–শ্যামৌপ্তি।
কনে এ দিন বেছে নিয়েছিলেন হলুদ রঙের হ্যান্ডলুম টিস্যু সিল্ক শাড়ি। সঙ্গে আয়নার কারুকাজ করা হলুদ ব্লাউজ়। সাম্প্রতিক ট্রেন্ড অনুযায়ী ফুলের গয়না এড়িয়ে গিয়েছেন শ্যামৌপ্তি। বদলে পরেছেন হালকা সোনার গয়না—সাজে ছিল সংযত সৌন্দর্য। সাবেক সুতির শাড়িও রাখেননি তালিকায়, ফলে ঐতিহ্যের সঙ্গে আধুনিকতার মেলবন্ধন তৈরি হয়েছে অন্য মাত্রায়।
আরও পড়ুন: হলিউডে অভিষেক ফারহান আখতারের!
হবু কনের সঙ্গে সাজমিলন্তি করেছেন রণজয়ও। পোশাকশিল্পী অনুশ্রী মলহোত্রের ডিজ়াইন করা আয়নার কাজের পাঞ্জাবি পরেছেন তিনি। সঙ্গে সাদা পাজামা—যা তাঁর স্বাচ্ছন্দ্যের পরিচিত অংশ। পাঞ্জাবির সঙ্গে হলুদ ওড়নার সংযোজন এনে দিয়েছে ফিউশন ছোঁয়া। আর পায়ে সাদা স্নিকার্স—গাত্রহরিদ্রার সাজে সমকালীনতার স্পষ্ট ছাপ।
তবে সম্পূর্ণ আধুনিকতায় ভেসে যাননি রণজয়। গায়েহলুদের শুরুতে সাবেক নিয়ম মেনে সাদা গেঞ্জি পরে বসেছিলেন। পরে বন্ধুবান্ধবদের রসিকতায় সেই গেঞ্জি ছিঁড়ে গেলে বদলে নেন কেতাদুরস্ত সাজ। ফুলের গয়না না থাকলেও ফুলের আবেশ ছিল আয়োজনে। গোটা অনুষ্ঠানের সাজসজ্জায় ফুলের ব্যবহার নজর কেড়েছে। সব মিলিয়ে ঐতিহ্য ও আধুনিকতার মিশেলে রঙিন হয়ে উঠল রণজয়–শ্যামৌপ্তির গাত্রহরিদ্রা।







