কলকাতা: নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) নিরপেক্ষতা নিয়ে নতুন করে উঠল প্রশ্ন। একটি পুরনো নথিকে ঘিরে জ্ঞানেশ কুমারের সংস্থাকে ফের একহাত নিল তৃণমূল কংগ্রেস (Trinamool Congress)। রাজ্যের শাসক দল এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) নিজে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি চিঠি শেয়ার করে অভিযোগ করেছেন, নির্বাচন কমিশন কার্যত ভারতের নির্বাচন কমিশন নয়, বরং ভারতীয় জনতা পার্টি-র ‘বি-টিম’ হিসেবে কাজ করছে।
তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে দাবি করেছেন, নির্বাচন কমিশনের একটি অফিসিয়াল চিঠিতে বিজেপির স্ট্যাম্প (BJP Stamp) থাকা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তাঁর কথায়, ‘যারা সংবিধান রক্ষার শপথ নিয়েছেন, তারাই এখন সংকীর্ণ রাজনৈতিক স্বার্থে সংবিধানের মূল ভিত্তিকেই ক্ষয় করছেন। এটি গণতন্ত্রের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা।’
This is precisely why judicial authority was diluted and the Chief Justice of India was removed from the CEC selection panel. If this trajectory continues, it won’t be long before Supreme Court judgments appear politically stamped.
Those sworn to protect the Constitution are… pic.twitter.com/BzFVXMugVd
— Abhishek Banerjee (@abhishekaitc) March 24, 2026
আরও পড়ুন: রামনবমীর মিছিলে মানতে হবে এই ৭ শর্ত! অঞ্জনি পুত্র সেনাকে কী নির্দেশ দিল হাইকোর্ট? দেখে নিন একনজরে
তৃণমূলের দাবি, ২০১৯ সালের মার্চ মাসে জারি করা ওই চিঠিটি দেশের বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের উদ্দেশে পাঠানো হয়েছিল। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী প্রার্থীদের অপরাধমূলক অতীত সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশের বিষয়ে নির্দেশিকা দেওয়া ছিল সেখানে। কিন্তু সেই চিঠির নীচে নাকি স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে বিজেপির স্ট্যাম্প—যা নিয়েই শুরু হয়েছে বিতর্ক।
এই ঘটনাকে সামনে এনে তৃণমূল কংগ্রেস আবারও তাদের পুরনো অভিযোগকে জোরালো করেছে যে, নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ নয় এবং কেন্দ্রের শাসক দলের প্রভাবেই কাজ করছে। তাদের প্রশ্ন, একটি সাংবিধানিক সংস্থার অফিসিয়াল নথিতে কীভাবে কোনও রাজনৈতিক দলের স্ট্যাম্প থাকতে পারে? এতে কি নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নের মুখে পড়ছে না?
Official STAMP of approval that @ECISVEEP is @BJP4India’s B-team! pic.twitter.com/eoTuymJ6hq
— All India Trinamool Congress (@AITCofficial) March 23, 2026
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আরও অভিযোগ করেছেন, এই ধরনের ঘটনাই প্রমাণ করে কীভাবে বিভিন্ন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের স্বাধীনতা ধীরে ধীরে খর্ব করা হচ্ছে। তিনি দাবি করেন, বিচার বিভাগীয় কাঠামোতেও হস্তক্ষেপ করা হয়েছে এবং প্রধান বিচারপতিকে সিইসি নির্বাচন প্যানেল থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত তারই উদাহরণ।
দেখুন আরও খবর:







