ওয়েবডেস্ক- চারদিকে শুধু একটাই কথা ভোট (Assembly Election) । ভোট কবে হবে, দিনক্ষণই কবে ঘোষণা হবে, এই প্রশ্নই এখন রাজ্যের মুখে মুখে। তবে এখনও এসআইআর (SIR) নিয়ে অচলাবস্থা অব্যাহত রাজ্যে। মঙ্গলবার জরুরি ভিত্তিতে পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর মামলার শুনানি (SIR Hearing) হল শীর্ষ আদালতে প্রধান বিচারপতির এজলাসে। বেঞ্চ বসার শুরুতেই এই মামলাটি শোনা হয়। প্রায় আধঘণ্টা ধরে শুনানি চলে। রাজ্যে এসআইআর-এর কাজের জন্য ওড়িশা এবং ঝাড়খণ্ড থেকে বিচারক নিয়ে আসার কথা বলেন প্রধান বিচারপতি।
সুপ্রিম কোর্টে SIR শুনানির পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি আইনজীবী তথা সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Lawyer And MP Kalyan Banerjee) । আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মহামান্য সুপ্রিম কোর্টে মাননীয় প্রধান বিচারপতির সামনে একটি স্বতঃপ্রণোদিত মামলার শুনানি হয়। কলকাতা হাইকোর্টের মাননীয় প্রধান বিচারপতির পক্ষ থেকে একটি স্ট্যাটাস রিপোর্ট পাঠানো হয়েছে। হাইকোর্টের তরফে সুপ্রিম কোর্টকে জানানো হয়েছে যে, SIR স্ক্রুটিনি প্রক্রিয়ার জন্য ২৫০ জন বিচারবিভাগীয় আধিকারিককে নিয়োগ করা হয়েছে। যদি বিচারবিভাগীয় আধিকারিকের সংখ্যা বাড়ানো না হয়, তবে বিষয়টি শেষ করা কঠিন হবে।
বর্ষীয়ান আইনজীবী আরও জানান, মহামান্য সুপ্রিম কোর্ট একটি আদেশ জারি করে জানিয়েছে যে, সিনিয়র ডিভিশন এবং জুনিয়র ডিভিশনের বিচারক, যাদের অন্তত তিন বছরের কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে, তাদেরকেও স্ক্রুটিনির জন্য নিযুক্ত করা হবে। উচ্চতর বিচারবিভাগীয় পরিষেবার সমস্ত অবসরপ্রাপ্ত আধিকারিকদের মামলা নিষ্পত্তির জন্য নিযুক্ত করা যেতে পারে। তারপরেও যদি তা পর্যাপ্ত না হয়, তবে কলকাতা হাইকোর্ট ঝাড়খণ্ড এবং ওড়িশা হাইকোর্ট থেকে অবসরপ্রাপ্ত আধিকারিকদের কাজে লাগাতে পারে।
সুপ্রিম কোর্ট আরও জানিয়েছে যে, ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জমা দেওয়া নথিগুলি প্রিসাইডিং অফিসার বিবেচনা করবেন। নথিগুলির যথার্থতা যাচাই ERO-রা করবেন এবং অন্য কোনও ব্যক্তি তা করতে পারবেন না। ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হবে। যে সাপ্লিমেন্টরি ভোটার তালিকাগুলি প্রকাশিত হবে সেটিকেও নির্বাচন কমিশন চূড়ান্ত ভোটার তালিকা হিসেবে গণ্য করবে।
আরও পড়ুন- রাজ্যে SIR-এর কাজ দ্রুত শেষ করতে বিরাট পদক্ষেপ সুপ্রিম কোর্টের
নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী বলেছেন যে, তাঁদের নিজের সিদ্ধান্তে সার্কুলার ও নির্দেশ জারি করার ক্ষমতা আছে। সুপ্রিম কোর্ট তা মেনে নেয়নি। আদালত মনে করিয়ে দিয়েছে যে, বিচারবিভাগীয় আধিকারিকরাই চূড়ান্ত কর্তৃপক্ষ। অন্য কেউ কোনও নির্দেশ জারি করতে পারে না। সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে যে আধার কার্ড, মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড গ্রহণযোগ্য নথি হিসেবে গণ্য হবে।







