রায়গঞ্জ: হেমতাবাদে (Hemtabad) খড়ের গাদায় স্কুটি সহ অগ্নিদগ্ধ মৃতদেহ। হেমতাবাদের দক্ষিণ ধোয়ারইল অঞ্চলের ঘটনা। মৃতের নাম বিট্টু ক্ষেত্রী। বাড়ি বাঙাল বাড়িতে। সূত্রের খবর বিট্টু স্থানীয় তৃণমূল কর্মীর ভাইপো। শুক্রবার সকাল থেকে বিট্টুকে পাওয়া যাচ্ছিল না। তার মোবাইলট সুইচড অফ ছিল। বাড়ির লোক থানাতে মিসিং ডাইরিও করেছিল। শনিবার সকলে এলাকার মানুষ প্রাতভ্রমণে বেড়িয়ে এই ভয়াবহ অবস্থা দেখে খবর দেয় পুলিশকে। হেমতাবাদ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মৃত উদ্ধার করে, রায়গঞ্জে তদন্তের জন্য পাঠিয়েছি।
আরও পড়ুন: পরিস্রুত পানীয় জলের অভাব, সমস্যায় সুন্দরবনের ৯টি গ্রামের বাসিন্দারা
বিট্টুকে শুক্রবার সন্ধ্যার সময় শেষ তার ভাই দেখেছিল। শনিবার সকালে হেমতারবাদের রাজ্যসড়কের ধারে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে স্থানীয়রা দেখতে পান, খড়ের গাদায় অগ্নিদগ্ধ দেহ পড়ে রয়েছে। তার মৃতদেহে পায়ের জুতো দেখে সনাক্ত করে পরিবারের লোক। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। সূত্রের খবর, সুদের কারবারি ছিলেন বিট্টু। সঙ্গে গাড়ি কেনাবেচাও করতেন। তাঁর স্ত্রী পাঁচ মাসের গর্ভবতী। এক ছেলেও রয়েছে তাঁর। গত কয়েকদিন ধরেই ব্যবসায়িক লেনদেন নিয়ে ফোনে কোনও অজ্ঞাতপরিচয় কারও সঙ্গে বিবাদে জড়িয়েছিলেন বিট্টু, দাবি পরিবারের সদস্যদের। টাকা-পয়সা নিয়ে কারও সঙ্গে গণ্ডগোল হয়েছে। তারপরই এই পরিণতি। হেমতাবাদ থানার পুলিশ এসে তদন্ত শুরু করেছে। আইসি জানান, দেহটা পুড়ে যাওয়ার পর এতটাই বাজে অবস্থায় রয়েছে যে চিহ্নিত করা যাচ্ছে না। তবে কারা এই ঘটনায় ঘটিয়েছে তা এখনও স্পষ্ট নয়।
অন্য খবর দেখুন