Monday, December 1, 2025
HomeScrollঅন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় মারধরের হুমকি! পানমশলা সংস্থার কর্ণধরের পুত্রবধূর মৃত্যুর ঘটনায় নয়া মোড়
Delhi

অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় মারধরের হুমকি! পানমশলা সংস্থার কর্ণধরের পুত্রবধূর মৃত্যুর ঘটনায় নয়া মোড়

অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় তিনি সিবিআই তদন্তের দাবিও তুলেছেন

ওয়েব ডেস্ক: দেশের এক শীর্ষস্থানীয় পানমশলা সংস্থার কর্ণধরের পুত্রবধূ দীপ্তি চৌরাসিয়ার রহস্যমৃত্যু ঘিরে সামনে এল বিস্ফোরক অভিযোগ। মৃতের মা দাবি করেছেন, অন্তঃসত্ত্বা অবস্থাতেই মেয়েকে মারধর ও ভয় দেখানো হত। এই অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় তিনি সিবিআই তদন্ত-এর (CBI) দাবিও তুলেছেন (District news)।

দীপ্তির পরিবারের তরফে ইতিমধ্যেই FIR দায়ের করা হয়েছে, যেখানে শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের একাধিক গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, বিয়ের পর থেকেই দীপ্তির উপর মানসিক চাপে রাখা হত, যা পরে শারীরিক নির্যাতনে রূপ নেয়।

আরও পড়ুন: পথকুকুর নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায় পুনর্বিবেচনার দাবি, দেশের ৫০ হাজার পশুপ্রেমীর চিঠি শীর্ষ আদালতে

দীপ্তির মা জানান, ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারি-মার্চ মাসে স্বামী ও শাশুড়ি মিলে অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় দীপ্তিকে মারধর করেন। বিষয়টি পরিবারকে জানালে দুই পক্ষের বৈঠকে চৌরাসিয়া পরিবার ক্ষমা চায় এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনা না ঘটানোর প্রতিশ্রুতি দেয়। কিন্তু পরিস্থিতি পালটায়নি।

অভিযোগ আরও, সন্তানের জন্মের পর দীপ্তি জানতে পারেন তাঁর স্বামীর বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে। এতে দাম্পত্য জীবনে অশান্তি বাড়ে এবং দীপ্তি বাপের বাড়ি চলে আসেন। এক বছর পর শ্বশুরবাড়ির লোক তাঁকে ফিরিয়ে নিয়ে আশ্বস্ত করলেও দু’-তিন বছর পর থেকে আবার নির্যাতন শুরু হয়। উপরন্তু, এসব কথা কাউকে না জানানোর হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়।

গত বছর স্বামীর ফোনে অশ্লীল ছবি দেখে ফের ঝামেলা বাঁধে বলে অভিযোগ পরিবারের। দীপ্তির ভাইয়ের আরও দাবি, স্বামীর শুধু অবৈধ সম্পর্কই ছিল না, একটি অবৈধ সন্তানও রয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১০ সালে দীপ্তি চৌরাসিয়ার বিয়ে হয় পানমশলা ব্যবসায়ী কমলকিশোরের ছেলে অর্পিতের সঙ্গে। তাঁদের ১৪ বছরের এক পুত্রসন্তান রয়েছে। গত মঙ্গলবার বাড়ি থেকেই দীপ্তির ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, নিজের ওড়না দিয়ে ফাঁস নিয়েছিলেন তিনি। উদ্ধার হয় একটি সুইসাইড নোটও।

নোটে পরিবারের কাউকে দোষারোপ না করলেও দীপ্তি লিখেছেন, “যদি সম্পর্কে প্রেম ও বিশ্বাস না থাকে, তাহলে জীবন অর্থহীন।” তদন্তকারীদের অনুমান, স্বামী হরপ্রীতের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনই মৃত্যুর পিছনে অন্যতম কারণ। এই পরিস্থিতিতে দীপ্তির মা নতুন করে বিস্ফোরক অভিযোগ তোলায় মামলার মোড় আরও জটিল হয়ে উঠেছে।

দেখুন আরও খবর: 

Read More

Latest News