ওয়েবডেস্ক- ফের পাকিস্তানকে (Pakistan) বড় ধাক্কা দিতে চলেছে ভারত সরকার (India Government) । ২২ এপ্রিল পহেলগাম কাণ্ডের পরেই পাকিস্তানকে উচিত শিক্ষা দিয়েছে মোদি সরকার (Modi Government) । অপারেশন সিঁদূর, স্থগিত আছে সিন্ধু জলচুক্তি (Indus Water Treaty) । এবার পাকিস্তানকে পুরোপুরি কোণঠাসা হবে পাকিস্তান।
দেশ থেকে তো বটেই বিদেশ সফরে গিয়েও পাকিস্তানকে কড়া বার্তা দিয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। ফের শত্রুপক্ষকে কোণঠাসা করতে আরও কড়া সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে ভারত সরকার। এবার ইরাবতীর অতিরিক্ত জলও বন্ধ করতে চলেছে ভারত।
জম্মু-কাশ্মীরের জল সম্পমন্ত্রী জাভেদ আহমেদ রানা (Jammu and Kashmir Water Resources Minister Javed Ahmed Rana) জানিয়ে দেন, কাশ্মীর-পঞ্জাবের সীমান্তে তৈরি হচ্ছে শাহপুর কান্দি বাঁধ। ৩১ মার্চের মধ্যেই সেই কাজ শেষ হয়ে যাবে। এর পরেই ইরাবতীর ( Irrawaddy River) অতিরক্তি জল পাকিস্তানে পাঠানো বন্ধ করে দেওয়া হবে। এর ফলে অস্বস্তি বাড়ল ইসলামাবাদের। সিন্ধু জল চুক্তি স্থগিত করার পরেই কাশ্মীর-পঞ্জাবের সীমান্তে ইরাবতীর বাঁধ তৈরির বিষয়টি জানিয়েছিল ভারত।
সম্প্রতি জাভেদ এক টিভি চ্যানেল সাক্ষাৎকারে দেশের স্বার্থের অগ্রাধিকার বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, ইরাবতীর অতিরিক্ত হল পাকিস্তানকে দেওয়া হবে না। এটা বন্ধ করতেই হবে। এর কারণ ব্যাখ্যা করেন জম্মু-কাশ্মীরের মন্ত্রী জানিয়েছেন, কাঠুয়া ও সাম্বা জেলা খরা অধ্যুষিত। সেই কারণে এই প্রকল্পকে অগ্রাধিকার দিচ্ছি।
আরও পড়ুন- শপথের পর প্রথম ভারত সফরে তারেক? কী রয়েছে মোদির চিঠিতে?
প্রসঙ্গত, পহেলগাম কাণ্ডের পরেই পর পর কড়া পদক্ষেপ নেয় ভারত। সিন্ধু চুক্তি স্থগিত করা হয়। জম্মু-কাশ্মীরের চন্দ্রভাগা নদীর উপরে চারটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজের গতি বাড়ানো হয়। ২০২৭-২৮ ওই প্রকল্প চালু হয়ে যাবে বলেই মনে করা হচ্ছে। ইরাবতী নদীতে বাঁধ তৈরির প্রকল্প জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ২০১৮ সালের ৬ ডিসেম্বর এই প্রকল্পে অনুমোদন দেয় কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। বরাদ্দ হয় ৪৮৫.৩৮ কোটি টাকা। এতদিন ইরাবতীর জল পেত পাকিস্তান। ১৯৬০ সালে সিন্ধু জলচুক্তি অনুযায়ী ইরাবতী নদীর জলের উপর ভারতের পূর্ণ অধিকার থাকলেও, পরিকাঠামোর অভাবে দীর্ঘদিন ধরেই এই নদীর জল উদ্বৃত্ত হিসেবে পেয়ে আসছে পাকিস্তান। তবে বর্তমানে জম্মু-কাশ্মীর শাহপুর কান্দি বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে ভারত এই জলপ্রবাহ বন্ধ করে জম্মু-কাশ্মীর ও পঞ্জাবের সেচ কাজে ব্যবহার হতে চলেছে।







