ওয়েব ডেস্ক : ভোটের দামামা বেজে গিয়েছে পশ্চিমবঙ্গে (West Bengal Assembly Election 2026)। আর কিছুদিনের মধ্যেই নির্বাচনের নির্ঘন্ট ঘোষণা করতে পারে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। তার আগে, বাংলায় কীভাবে ভোট হবে ও কীভাবে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করা হবে, তা নিয়ে চূড়ান্ত তৎপরতা শুরু করে দিল নির্বাচন কমিশন। এই সব নিয়ে সোমবার একটি বৈঠক হতে চলেছে। কলকাতার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে এই বৈঠক ডাকা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। জানা গিয়েছে, বিকেল ৪টেয় হবে এই বৈঠক (Meeting)।
সূত্রের খবর, এই বৈঠকে থাকবেন কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষক এন কে মিশ্র। সঙ্গে রাজ্য পুলিশের ডিজি কলকাতা পুলিশ কমিশনার, এডিজি, রাজ্য পুলিশের নোডাল অফিসার ও সিআইএসএফ-এর নোডাল অফিসারও এই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগারওয়ালের (Manoj Kumar Agarwal) পৌরোহিত্যে এই বৈঠক হতে চলেছে বলে খবর। সূত্রের খবর, ভোটের বিষয়েই এই বৈঠকে আলোচনা হতে পারে। বিশেষ করে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গতিবিধি নিয়ে আলোচনা হতে পারে। মূলত গত কয়েক মাস ধরে এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে উত্তাল রাজ্যরাজনীতি। সেই কারণে সোমবারের এই বৈঠক বেশ গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। এখন বৈঠক শেষে বাহিনীর রুটম্যাপ নিয়ে কী বলে কমিশন, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
আরও খবর : প্রতীক উর তৃণমূলে, কী বললেন অভিষেক?
অন্যদিকে ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার আগেই রাজ্যে আসতে চলেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force)। জানা যাচ্ছে, দুই দফায় মোট ৪৮০ কোম্পানি আধাসেনা মোতায়েনের কথা জানানো হয়েছে কমিশনের তরফে। সূত্রের খবর, ১ মার্চ ২৪০ কোম্পানি আধাসেনা মোতায়েন করা হবে পশ্চিমবঙ্গে।
জানা গিয়েছে, রাজ্যের মুখ্য সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব ও রাজ্য পুলিশের ডিজির কাছে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের (Ministry of home Affairs) তরফে। সেখানে জানানো হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে আসন্ন নির্বাচনের জন্য ৪৮০ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পয়লা মার্চ অর্ধেক আধাসেনা মোতায়েন করা হবে। এই বাহিনীতে সিআরপিএফ থাকবে ১১০ কোম্পানি, বিএসএফ থাকবে ৫৫ কোম্পানি, ২১ কোম্পানি থাকবে সিআইএসএফ, আইটিবিপি থাকবে ২৭ কোম্পানি ও এসএসবি থাকবে ২৭ কোম্পানি।
এর পরে বাকি ২৪০ কোম্পানি বাহিনী (Central Force) আসবে আগামী ১০ মার্চ। সেখানে কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ বাহিনী থাকবে ১২০ কোম্পানি, সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনীর সংখ্যা থাকবে ৬৫ কোম্পানি, সিআইএসএফ থাকবে ১৬ কোম্পানি, তিব্বত সীমান্ত পুলিশ বাহিনী থাকবে ২০ কোম্পানি এবং সশস্ত্র সীমা বলের (SSB) ১৯ কোম্পানি মোতায়েন করা হবে। জানা যাচ্ছে, ৯ সেকশন আধাসেনার মধ্যে বুথের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে ৮ সেকশন কেন্দ্র বাহিনী। বাকি ১ সেকশনকে কুই্যক রেসপন্স ফোর্স হিসাবে ব্যবহার করা হবে। এছাড়া বাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনা জানাতে হবে ওয়েস্ট বেঙ্গল সেক্টরের আইজি সঞ্জয় যাদবকে।
দেখুন অন্য খবর :







