Saturday, May 30, 2026
HomeScrollAajke | বন্দেমাতরম পুরোটা গাইলেন না বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য
Aajke

Aajke | বন্দেমাতরম পুরোটা গাইলেন না বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য

ফতোয়া মানেন না, নাহলে ওনারা পুরো গান গাইতে পারেন না

ইয়াব্বড় সার্কুলার জারি করলো মোদি সরকার, প্রতিটা অনুষ্ঠানে, মানে সরকারি অনুষ্ঠানের আগে পরে বন্দেমাতরম গাইতেই হবে আর সেটাও কেবল ওই দু স্তবক গাইলেই চলবে না, পুরো ছ স্তবক গানটা গাইতে হবে, বাহুতে তুমি মা শক্তি হৃদয়ে তুমি মা ভক্তি, তোমারই প্রতিমা গড়ি মন্দিরে মন্দিরে, বাংলাতে লেখা গানের এই অংশও গাইতে হবে, গাইতে হবে কোটি কোটি ভুজৈর্ধৃতখরকরবালে, মানে ওই একই সঙ্গে ধ এ রেফ এবং রি ফলার উচ্চারণ মিলিয়েই গাইতে হবে। আমাদের ঠাকুর বলেছিলেন এ গানের প্রথম দু স্তবকই গাওয়া হোক পরের স্তবকে যে মূর্তি পুজোর কথা আছে তা তো একেশ্বরবাদী, বা সেমেটিক ধর্মের লোকজনদের ভালো লাগার কথা নয়, কিন্তু সে তো আমাদের ঠাকুর বলেছেন, আমাদের ঠাকুর তো বিজেপির নয়, বিজেপির ঠাকুর বিশ্বাসঘাতক সাভারকার গোলওয়ালকারের দল, তো তাঁরা ফতোয়া দিয়েছেন পুরোটা গাইতেই হবে, সংসদে বাজবে, বিধানসভাতে বাজাতে হবে, স্কুলের প্রার্থনাতে গাইতে হবে। বেশ একটা হিন্দু সনাতন সনাতন ফিলিং আনার জন্য সেই তাঁরা যাঁরা কোনওদিনও তাঁদের সভাতে বন্দেমাতরম গাইতেন না, ১৯৩৭ এর পর থেকে গাইতে শুরু করলেন, কিন্তু অতকিছুর পরেও তাঁদের আর এসএসএর শাখাতে এখনও বন্দেমাতরম নয়, চালু আছে ওই নমস্তে সদা বৎসলে ইত্যাদি। কিন্তু যাই হোক, সরকার বাহাদুর জানিয়েছে ছ স্তবকই গাইতে হবে, দাঁত ভেঙে গেলেও, পেট খারাপ হলেও। কিন্তু মজার কথা হল বঙ্গ বিজেপির পরিবর্তন সভায় এক বিশাল নক্ষত্র উপস্থিতিতে বন্দেমাতরমের দু স্তবক গেয়েই ফুউউউউস, সেটাই বিষয় আজকে, বন্দেমাতরম পুরোটা গাইলেন না বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya)।

আসলে ১২ টা বছর প্রায় কেটে গেল, সেই আচ্ছে দিন বলতে মানুষ যা চেয়েছিল, রোজগার, চাকরি, বাসস্থান, খাবারের সুরাহা হবে, জিনিষপত্রের দাম কমবে, এই তো। কিন্তু সেদিকে তো কিছুই হয়নি, উলটে মোদিজীর বন্ধু গৌতম আদানির সম্পদ এই কয়েক বছরে বেড়েছে ৭২৩ শতাংশ। এবং এই যে কিছু হচ্ছে না সেটা তো ধীরে ধীরে ফুটে উঠছে। কাজেই মানুষকে নতুন নতুন বিতর্কের মধ্যে ঠেলে দিয়ে নজর ঘোরানোর চেষ্টা করেই যাচ্ছে বিজেপি। বলা হলো আসুন আমরা সব্বাই মিলে স্বচ্ছ ভারত গড়ি, সবাই ঝাড়ু নিয়ে হাতে, রাস্তায় নামল। ওদিকে ৩৮ জন ঋণখেলাপি ব্যবসায়ী লক্ষ কোটি টাকা মেরে বিদেশে চলে গেল, মোদিজী বলেছিলেন কালা ধন ওয়াপস লায়েঙ্গে। তাহলে? সবচেয়ে বড় মন্দির, রামমন্দির অযোধ্যায়, সবচেয়ে বড় শিবলিঙ্গ বিহারে পূর্ণিয়াতে। এসবের মাঝে জানা গেল বেকারত্ব রেকর্ড সীমা ছুঁয়েছে। মানুষ চাকরির কথা বলা শুরু করেছে। মোদিজী জানালেন অপারেশন সিন্দুর, ঘর মে ঘুসকর মারেঙ্গে। তো সিয়াচীনে মাইনাস ৫৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে জওয়ান দেশের জন্য লড়ছে আর আমি আমার একটা চাকরির জন্য হেদিয়ে মরবো? কভি নঁহি, ঝান্ডা তুলে দিলাম। টিভিতে দেখছি করাচি বিমানবন্দর জ্বলছে, রাওলপিন্ডিতে ভারতীয় সেনা। রাতভর সেই যুদ্ধু দেখে ঘুমিয়ে উঠে শুনলাম ট্রাম্প সাহেব জানিয়েছেন যুদ্ধ বিরতী হয়ে গেছে। কদিনের মধ্যেই মোদিজীর বন্ধু ট্রাম্প সাহেব ৫০ শতাংশ ট্যারিফ চাপিয়ে দিলেন দেশের ওপরে, এমএসএমই, মানে ছোট শিল্প যা বেঁচে ছিল তাদের ওপরে খাঁড়া নেমে এল, চাকরি গেল অনেকের। ওদিকে এপস্টিন বলে এক নোংরা মানুষের ফাইলে মোদিজীর মন্ত্রীর নাম জ্বলজ্বল করছে, আর এদিকে পার্লামেন্টে রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi) জেনারেল নারভানের বই থেকে পড়ে শোনাচ্ছেন মোদিজীর ৬ ইঞ্চি শিনার কথা, চীনা কামান ঢুকছে, ভয়ের চোটে তিনি বলেছিলেন জো উচিত হো করো, মানে ওনার মুখে রা ছিল না। তো এবার এলো বন্দেমাতরম। ছিল তো আমাদের দেশের জাতীয় গান, সেই গানের দু স্তবক আজ নয় সেই সংবিধান সভা থেকেই জাতীয় গানের স্বীকৃতি পেয়েছে। কিন্তু না ওনার তো জল ঘোলাতে হবে তাই মোদিজীর ফতোয়া পুরো ছ স্তবক গাইতে হবে, জনগণমন অধিনায়ক জয় হে-র আগেই গাইতে হবে। কিন্তু সে গান কারা গাইবেন? আপনি আচরি ধর্ম পরেরে শিখাও। রাজ্যে পরিবর্তন চান বঙ্গ বিজেপির সভাপতি, সেই পরিবর্তন যাত্রার মঞ্চে বন্দে মাতরম গাওয়া হল, কিন্তু না পুরোটা নয়, ওই দুস্তবকেই থামল পদ্মবাহিনী। আমরা আমাদের দর্শকদের জিজ্ঞেষ করেছিলাম, মোদি – শাহ ফতোয়া জারি করেছেন দু স্তবক নয়, পুরো বন্দেমাতরম গান গাইতে হবে। কিন্তু বিজেপির পরিবর্তন সভার প্রথমদিনেই দেখা গেল তাঁরা দুস্তবক গেয়েই থেমে গেলেন, তার মানে হয় ওনারা ওই ফতোয়া মানেন না, নাহলে ওনারা পুরো গান গাইতে পারেন না বলেই গান নি। আপনাদের কী মনে হয়? শুনুন মানুষজন কী বলেছেন।

আরও পড়ুন: Aajke | শুভেন্দুবাবুরা ক্ষমতায় এলে মাছ, মাংস বিক্রেতাদের লাইসেন্স নিয়ে বাজারে বসতে হবে?

তখন এই বঙ্গ বিজেপির দায়িত্বে এসেছেন বি এল সন্তোষ, সদ্য দায়িত্ব নিয়েই চার বছর আগে বিজেপির এক ট্রেনিং ক্যাম্প, হ্যাঁ বিজেপির এতা নিয়মিত হয়, যা আগে কমিউনিস্ট পার্টির হত, সেরকম ট্রেনিং ক্যাম্পের আয়োজন করা হল, বৈদিক ভিলেজে, হ্যাঁ ওনাদের এই ট্রেনিং ক্যাম্প, ক্লাস এসব বড় বড় জায়গাতে বেশ খরচ পত্তর করেই হয়। তো সেখানে এই বন্দেমাতরম পুরোটা গাওয়ার জন্য ছাপানো গান বিতরণ হয়েছিল, গানের সুরও শেখানো হয়েছিল, আজ বোঝা যাচ্ছে সবটাই জলে গেছে। সেই দু স্তবকেই থামলো, কোটি কোটি ভুজৈর্ধৃতখরকরবালে পর্যন্ত আর যান নি তাঁরা, সবচেয়ে মজা লাগছিল তাপস রায় কে দেখে, মুখ নাড়বেন না নাড়বেন না সেটাও ঠিক করতে পারছিলেন না, আর ওনার পাশের জন তো দু স্তবকে থামায় রিতীমত ক্ষুব্ধ, কিছু বলার চেষ্টা করছিলেন, পাশ থেকে কে একটা বললো, আরে বৈঠো না, তিনি বসে পড়লেন।

 

Read More

Latest News

https://www.annabelle-candy.com/about/ JUARA88 situs slot gacor WDBOS slot gacor mix parlay idn slot https://www.annabelle-candy.com/about/ traveltoto toto slot situs toto slot gacor BWO99 poker idn poker situs slot gacor toto slot toto slot toto SlotPoker188 situs toto istanaslot istanaslot sohibslot tikus4d https://tikus4dlink.com situs slot gacor PAKDE4D AMANAHTOTO