ওয়েব ডেস্ক: গণবিক্ষোভে উত্তাল ইরান (Iran Protest)। আলি খামেনির (Ali Khamenei) বিরুদ্ধে প্রতিবাদে মুখর দেশ। নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পাহলভির (Reza Pahlavi) ডাকে বিক্ষোভে অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছে মধ্যপ্রাচ্যের এই রাষ্ট্র। ইতিমধ্যে ইরানজুড়ে ইন্টারনেট ও টেলিফোন পরিষেবা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে খবর। এর মাঝেই ইরানের গোঁড়া ধর্মীয় শাসনতন্ত্রকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)।
আসলে গত দেড় সপ্তাহ ধরে ইরানের বিভিন্ন প্রান্তে বিক্ষোভ চলছেই। প্রথমে গত ২৭ ডিসেম্বর রাজধানী তেহরানে দোকানদারেরা ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতি ও মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে রাস্তায় নামেন। সেই বিক্ষোভ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে দেশের অন্যান্য শহর ও অঞ্চলেও। শুরুতে আর্থিক দাবিদাওয়া নিয়ে আন্দোলন হলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তা ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনিয়ের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক বিক্ষোভে রূপ নেয়।
আরও পড়ুন: আটলান্টিকে আগ্রাসন! তাড়া করে তেলের ট্যাঙ্কার বাজেয়াপ্ত আমেরিকার
১২ দিন পার হয়ে গেলেও আন্দোলন থামার কোনও নাম নেই। বৃহস্পতিবার নতুন করে বিক্ষোভ ছড়ানোর পরই প্রশাসনের তরফে ইন্টারনেট ও টেলিফোন পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়। তাবরিজ বিমানবন্দরে বিমান চলাচলও সাময়িক ভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে বলে খবর। এই বিক্ষোভে এখনও পর্যন্ত সেনা ও পুলিশের হামলায় ৩৬ জন প্রতিবাদীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
Iranians have had enough.
They want the regime to fall pic.twitter.com/31pKHpNZD2
— Visegrád 24 (@visegrad24) January 9, 2026
এর মধ্যেই সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করে খামেনেই প্রশাসনের তীব্র সমালোচনা করেন নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পাহলভি। ওই পোস্টে তিনি আবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানান। এদিকে ট্রাম্পও কড়া সুরে তিনি বলেন, “যদি তারা মানুষ মারতে শুরু করে, তা হলে আমরা তাদের উপর অত্যন্ত কঠিন আঘাত হানব।” ট্রাম্পের একের পর এক হুঁশিয়ারির জেরে তেহরানের সুর কিছুটা নরম হওয়ার ইঙ্গিত মিলেছে।
দেখুন আরও খবর:







