ওয়েব ডেস্ক: ইরানকে (Iran) ঘিরে পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধপরিস্থিতি তীব্র হতেই বড় কূটনৈতিক মোড় নিল পাকিস্তান (Pakistan)। আমেরিকা (USA) ও ইজরায়েলের (Israel) যৌথ হামলার কড়া নিন্দা জানিয়ে প্রকাশ্যে অবস্থান নিল ইসলামাবাদ। কূটনৈতিক মহলের মতে, পাকিস্তানের এই অবস্থান আমেরিকার সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্কের সমীকরণে নতুন চাপ তৈরি করতে পারে।
শনিবার ইজরায়েলের সঙ্গে যৌথভাবে ইরানের বিভিন্ন সামরিক ও প্রশাসনিক স্থাপনায় হামলা চালায় আমেরিকা। তেহরান-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ শহরে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে বলে জানা যায়। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনির (Ayatollah Ali Khamenei) দফতর লক্ষ্য করেও হামলার অভিযোগ উঠেছে। পাল্টা জবাব দেয় ইরানও। ইজরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলিকে লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালানো হয় বলে খবর।
আরও পড়ুন: ইজরায়েলে থাকা ভারতীয়দের জন্য HelpLine চালু দূতাবাসের!
এই পরিস্থিতির মাঝেই পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী ইশাক দার (Ishaq Dar) ফোনে কথা বলেন তাঁর ইরানি সমকক্ষের সঙ্গে। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, এই হামলা “সম্পূর্ণ অযৌক্তিক”। পরে পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রক বিবৃতি দিয়ে জানায়, অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি এবং কূটনৈতিক পথে সমস্যা সমাধানের পক্ষেই ইসলামাবাদ।
উল্লেখযোগ্যভাবে, সাম্প্রতিক অতীতে ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্পর্ক মেরামতে সক্রিয় ছিল পাকিস্তান। ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump) সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ানোর চেষ্টা করেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ (Shehbaz Sharif)। যুদ্ধবিরতিতে আমেরিকার ভূমিকাকে কৃতিত্ব দিয়ে ট্রাম্পের নোবেল প্রস্তাবের কথাও ইসলামাবাদের তরফে উত্থাপিত হয়েছিল। সেই প্রেক্ষাপটে ইরান ইস্যুতে পাকিস্তানের প্রকাশ্য নিন্দা, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে অস্বস্তি বাড়াতে পারে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
দেখুন আরও খবর:







