ওয়েব ডেস্ক: পৃথিবীর (Earth) আশঙ্কা কাটলেও চাঁদে (Moon) আঘাত হানতে পারে এক বড় গ্রহাণু (Asteroid)। ২০২৬ শুরু হতেই মহাকাশের (Space) জগতে নতুন বিপদের কথা শোনালেন বিজ্ঞানীরা। নতুন আবিষ্কৃত গ্রহাণু ২০২৪ ওয়াইআর৪ (2024 YR4)-কে ঘিরে চিন্তায় বিজ্ঞান (Science) মহল। প্রথমদিকে আশঙ্কা করা হয়েছিল, এটির সঙ্গে সরাসরি পৃথিবীর সংঘর্ষ হতে পারে। পরে নতুন তথ্য বিশ্লেষণে সেই আশঙ্কা কাটলেও নতুন আতঙ্ক তৈরি হয়েছে পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ চাঁদকে ঘিরে।
২০২৪ সালের ২৭ ডিসেম্বর চিলির অ্যাটলাস টেলিস্কোপে প্রথমবার এই গ্রহাণুর দর্শন পান বিজ্ঞানীরা। পরে তথ্য বিশ্লেষণ করে জানা যায়, আগত এই মহাজাগতিক বস্তু আকারে বিশাল। এর ব্যাস প্রায় ৫৩ থেকে ৬৭ মিটার। অর্থাৎ, পৃথিবীর বুকে আঘাত হানলে একটি শহর বা অঞ্চল ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। তাই আবিষ্কারের পরই জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা দানি করেন যে, ২২ ডিসেম্বর ২০৩২-এ পৃথিবীতে আঘাত হানতে পারে এটি। কিন্তু কয়েকমাস আগে জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ থেকে পাওয়া নতুন তথ্যে দেখা যায় এটি পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে না।
আরও পড়ুন: হিমালয়ে ফুটছে রহস্যময় ফুল! এই বিরল ঘটনা আসলে কীসের ইঙ্গিত?
এই গ্রহাণুকে ঘিরে পৃথিবীর বিপদ কাটলেও এবার চাঁদকেই সম্ভাব্য নিশানা হিসেবে দেখছেন গবেষকরা। হিসেব বলছে, ২২ ডিসেম্বর ২০৩২-এ এটি চাঁদের বুকে আছড়ে পড়তে পারে। যদিও সেই সম্ভাবনা মাত্র চার শতাংশ। কিন্তু বিপদের ক্ষেত্রে ০.০১ শতাংশ বিপদকেও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয়। তাই এই গ্রহাণুকে ঘিরে চিন্তায় বিজ্ঞানীরা।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এই গ্রহাণু চাঁদে আঘাত হলে কী হতে পারে? গবেষকদের মতে, এমনটা হলে তা একটা ঐতিহাসিক ঘটনা হবে, যা পৃথিবী থেকেও দৃশ্যমান হতে পারে। এর ফলে চাঁদে তৈরি হবে নতুন এক গহ্বর। তবে এই ঘটনা থেকে উৎপন্ন ধুলিকণা ও পাথর পৃথিবী সহ সমগ্র সৌরজগতের উপর ঠিক কী প্রভাব ফেলবে, তা এই মুহূর্তে নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।
দেখুন আরও খবর:







