ওয়েব ডেস্ক : ভারতে বৈদ্যুতিক দু’চাকার বাজারে ধীরে ধীরে নিজের জায়গা মজবুত করছে হিরো ইলেকট্রিক (Hero Electric)। জ্বালানির বাড়তি দাম ও দূষণ নিয়ে বাড়তে থাকা উদ্বেগের মধ্যে নতুন মডেল আনল এই সংস্থা। নতুন ই-স্কুটার এনেছেন এই সংস্থাটি। শহরের ছোট দূরত্বের দৈনন্দিন চলাচলকে মাথায় রেখেই তৈরি এই মডেল। আর এই নতুন মডেলটি হল হিরো ইলেকট্রিক ফ্ল্যাশ (Hero Electric Flash)।
দেখে নেওয়া যাক এই ইস্কুটারে কী কী বিশেষত্ব রয়েছে….
স্কুটারটির (E-Scooter) গঠন বেশ কমপ্যাক্ট ও হালকা। ছাত্রছাত্রী, অফিসযাত্রী কিংবা বাড়ির নিত্য কাজের জন্য এটি সুবিধাজনক হবে বলেই মনে করা হচ্ছে। সরল বডি স্টাইলের সঙ্গে রয়েছে আধুনিক হেডলাইট, আরামদায়ক আসন এবং সহজ কন্ট্রোল সিস্টেম, যা নতুন ব্যবহারকারীদের জন্যও উপযোগী। এই ই-স্কুটারটি ভ্যারিয়েন্ট অনুযায়ী লিথিয়াম-আয়ন বা লিড-অ্যাসিড ব্যাটারিতে পাওয়া যায়। সম্পূর্ণ চার্জে এটি প্রায় ৫০ থেকে ৮৫ কিলোমিটার পর্যন্ত চলতে পারে। সর্বোচ্চ গতি প্রায় ২৫ কিমি প্রতি ঘণ্টা হওয়ায় অনেক ক্ষেত্রে লাইসেন্স বা রেজিস্ট্রেশনের ঝামেলাও এড়ানো যায়। তবে সেটি হবে স্থানীয় নিয়ম সাপেক্ষে। এই স্কুটারটিকে ঘরের সাধারণ প্লাগ পয়েন্টেই সহজে চার্জ দেওয়া যায়। পুরো চার্জ হতে ৪–৫ ঘণ্টা সময় লাগতে পারে।
আরও খবর : রাতের আকাশে উঠবে ‘ব্লাড মুন’! মার্চেই ঘটবে বিরল ঘটনা! কবে, কখন দেখবেন?
স্কুটারটিতে (E-Scooter) টেলিস্কোপিক সাসপেনশন, ড্রাম ব্রেক এবং মজবুত চ্যাসিস রয়েছে। কিছু সংস্করণে ডিজিটাল ডিসপ্লে ও উন্নত ব্যাটারি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমও থাকতে পারে। কম গতির কারণে নতুন চালকদের জন্য নিয়ন্ত্রণ করা সহজ। পেট্রোল স্কুটারের তুলনায় চালানোর খরচ অনেক কম। রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়ও তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায় দীর্ঘ সময় ব্যবহারে এটি অর্থ সাশ্রয়ী সমাধান হয়ে ওঠে। বিভিন্ন রাজ্যের ভর্তুকি থাকলে দাম আরও কমতে পারে।
ভারতের বাজারে এটি বাজেট-ফ্রেন্ডলি ই-স্কুটার (E-Scooter) হিসেবে পরিচিত। এক্স-শোরুম দাম সাধারণত প্রায় ৫৯ হাজার থেকে ৬২ হাজার টাকার মধ্যে ঘোরাফেরা করে। যা শহর ও করের ভিত্তিতে কিছুটা পরিবর্তিত হয়। সব মিলিয়ে কম দূরত্বে নিয়মিত যাতায়াতের জন্য এটি একটি কার্যকর, কম খরচের এবং দূষণহীন যান। যারা প্রথমবার বৈদ্যুতিক স্কুটার কিনতে চান, তাদের কাছে এটি একটি বাস্তবসম্মত পছন্দ হিসেবেই ধরা হচ্ছে।
দেখুন অন্য খবর :







