ওয়েব ডেস্ক : চলতি মাসে আরজি কর-এর আর্থিক দুর্নীতি মামলায় (RG Kar’s financial corruption case) চার্জশিট জমা দিয়েছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সেই চার্জশিটে নাম ছিল হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ চিকিৎসক সন্দীপ ঘোষের (Sandip Ghosh)। কিন্তু এই দুর্নীতি মামলায় পিছিয়ে গেল চার্জ গঠন প্রক্রিয়া। জানা যাচ্ছে, সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে চার্জশিটে (Chargesheet) নাম থাকার অনুমোদন পাওয়া যায়নি। সেই কারণে এই মামলায় চার্জ গঠন প্রক্রিয়া পিছিয়ে যায়।
কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, কেন এই মামলার চার্জ গঠন প্রক্রিয়া পিছিয়ে গেল? জানা যাচ্ছে, কোনও সরকারি কর্মীর বিরুদ্ধে যদি চার্জশিট দিতে হয়, সেক্ষেত্রে নিয়োগকর্তার কাছ থেকে অনুমোদন নিতে হবে। আর সেই অনুমোদন পেলেই চার্জ গঠন করে এই দুর্নীতি মামলায় বিচার প্রক্রিয়া শুরু করতে পারবে আদালত। সূত্রের খবর, অনুমোদন চেয়ে রাজ্যকে তথা নিয়োগকর্তার কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে। জানা গিয়েছে, এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে আগামী ৭ এপ্রিল।
আরও খবর : ‘ঘাটতি বাজেট দেখে লাভ নেই, দেখতে হবে কলকাতার উন্নয়ন’, মন্তব্য তারক সিংয়ের
২০২৪ সালের ৯ অগাস্ট। কলকাতার (Kolkata) বুকে ঘটে গিয়েছিল ভয়াবহ ঘটনা। আরজি কর হাসপাতাল থেকে উদ্ধার হয়েছিল এক চিকিৎসক পড়ুয়ার দেহ। যা নিয়ে গোটা দেশজুড়ে তীব্র প্রতিবাদ ও আন্দোলন হয়েছিল। কিন্তু এর সঙ্গে আরজি কর-এ দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। সম্প্রতি সেই মামলায় আদালতে চার্জশিট জমা দিয়েছিল ইডি। এই চার্জশিটে নাম ছিল আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ চিকিৎসক সন্দীপ ঘোষ। ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসাবে বিপ্লব ও সুমন হাজরারও নাম ছিল ওই চার্জশিটে। এই দু’জন সরঞ্জাম সরবরাহকারী সংস্থার মালিক বলেই তদন্তে উঠে এসেছিল।
প্রসঙ্গত, আরজি করের প্রাক্তন ডেপুটি সুপার আখতার আলি প্রথমে এই দুর্নীতির বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। সেই মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। সেই তদন্তে নেমে সিবিআই সন্দীপ ঘোষকে এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে লাগাতার জিজ্ঞাসাবাদ চালায়৷ তার পরে সিবিআই প্রথমে তাঁকে গ্রেফতার করে ৷ এরপরেই গত বছর ইডি অর্থপাচার সংক্রান্ত তদন্ত শুরু করেছে৷ সেই মামলা চলছে আদালতে। এ নিয়ে চার্জশিট দিয়েছে ইডি। কিন্তু এই দুর্নীতি মামলায় পিছিয়ে গেল চার্জ গঠন প্রক্রিয়া।
দেখুন অন্য খবর :







