ওয়েব ডেস্ক : ২০০০ সালে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) নির্দেশ সত্ত্বেও এক যৌনকর্মীর প্রাপ্য আর্থিক অনুদান আজও মেলেনি। বকেয়া অনুদানের অর্থ পেতে প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত শুনানির আবেদন জানানো জানালেন মামলাকারী। সূত্রের খবর, সোমবার এই মামলার শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
ঘটনার সূত্রপাত প্রায় আড়াই দশক আগে। অভিযোগ, কালীঘাট এলাকার এক যৌনকর্মীর সঙ্গে থানার এক পুলিশকর্মী (Police) জোর করে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করেন। তাতে বাধা দেন ওই যৌনকর্মীর দেহরক্ষী। পরে তাঁকে থানায় তুলে নিয়ে গিয়ে মারধর করা হয়। সেই ঘটনাতেই ওই দেহরক্ষীর মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ ওঠে। ঘটনাটি সে সময় রাজ্যজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্যের ছড়িয়েছিল। প্রকাশ্যে সেই সময় প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন তৎকালীন বিরোধী নেত্রী তথা বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।
আরও খবর : SSC কেলেঙ্কারিতে ফের ইডির নোটিস! দোলের পরেই তলব পার্থ–অর্পিতাকে
এই ঘটনার পর কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা (Public interest litigation) দায়ের হয়। আদালত তদন্তের দায়িত্ব দেয় আলিপুর জেলা বিচারককে। এই মামলায় তদন্ত রিপোর্ট জমা পড়ে। তারপর ২০০০ সালের ২৫ অগাস্ট তৎকালীন বিচারপতি অশোক কুমার মাথুর ও বিচারপতি বারীন ঘোষ নির্দেশ দেন, অভিযুক্ত পুলিশকর্মীদের বেতন থেকে অর্থ কেটে আদালতের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে জমা রাখতে হবে। সেই অর্থই মৃত দেহরক্ষীর পরিবার ও সংশ্লিষ্ট যৌনকর্মীকে অনুদান হিসেবে দেওয়ার কথা ছিল।
কিন্তু পরবর্তী সময়ে ওই যৌনকর্মীর খোঁজ না মেলায় অর্থটি আদালতের কাছেই জমা থেকে যায়। সম্প্রতি জানা যায়, তিনি বর্তমানে হুগলি জেলায় বসবাস করছেন। যৌনপেশা ছেড়ে বিবাহিত জীবনে স্থিত হয়েছেন। দীর্ঘদিনের বকেয়া অনুদানের অর্থ ফিরে পেতেই এবার আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি।
দেখুন অন্য খবর :







