ওয়েবডেস্ক– ভবানীপুরে (Bhawanipur) বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী ( BJP candidate Subhendu Adhikari) । ১৪৪ জনের নাম ঘোষণা করল বিজেপি। সোমবার প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করল বিজেপি। ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে (Nandigram) দুই জায়গাতেই বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী।
বিধানসভা ভোটের আবহে ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে বিজেপি প্রার্থী হিসেবে শুভেন্দুর নাম তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ ভবানীপুর থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রার্থী হবে এটা এক রকম নিশ্চিত। গতকালই ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। তার ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই ভোটের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করল বিজেপি।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) কেন্দ্র ভবানীপুরেই (Bhowanipore Final Voter List) প্রায় ৪৭০৯৪টি নাম বাদ পড়েছে বলে সূত্রের খবর। খসড়া ভোটার তালিকায় বাদ পড়েছিল ৪৪ হাজারের কিছু বেশি। চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় বাদ পড়ে আরও ২৩২৪ জন ভোটার। ফলে সব মিলিয়ে মোট ৪৭০৯৪টি নাম বাদ বলে জানা যাচ্ছে। যাচাইয়ের জন্য বাকি রয়েছেন ভবানীপুরের ১৪,১৫৪ জন ভোটার। এসআইআর-এর আগে ভবানীপুরের মোট ভোটার ছিলেন প্রায় ২ লাখ ৫ হাজার। সেই ভোটার দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ বাখ ৫৮ হাজার।
আরও পড়ুন- রান্নার গ্যাসের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে মিছিল, হাঁটছেন মমতা
রাজনীতির মানচিত্রে কেন ভবানীপুর গুরুত্বপূর্ণ?
ভবানীপুর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের খাস তালুক। ২০১১ সালে পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতা পরিবর্তনের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই কেন্দ্র থেকেই উপনির্বাচনে জয়ী হয়ে প্রথমবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বিধানসভায় প্রবেশ করেন। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে পরাজিত হওয়ার পর, তিনি পুনরায় এই ভবানীপুর কেন্দ্র থেকেই রেকর্ড ব্যবধানে উপনির্বাচনে জয়ী হয়ে নিজের পদ ধরে রাখেন। আর এলাকা থেকে ২০২৬ এর নির্বাচনে মুখোমুখি প্রতিদ্বন্দ্বিতা নামছেন শুভেন্দু অধিকারী। ফলে তুঙ্গে রাজনৈতিক চাপানউতোর। ভবানীপুর কেন্দ্রটি একটি মিশ্র সংস্কৃতির লোকের বাস। বেশিরভাগই অবাঙালিরা থাকেন, সেই সঙ্গে বাংলার বনেদি পরিবারের বাস। মধ্যবিত্ত বাঙালির পাশাপাশি প্রচুর সংখ্যক পাঞ্জাবি ও গুজরাটি সম্প্রদায়ের মানুষ বসবাস করেন।
২০২০ সালে শুভেন্দু তৃণমূল ছেড়ে গেরুয়া শিবিরে যোগ দেন। ২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচনে শুভেন্দু কাছে পরাজিত হন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পুনর্গণনার দাবি তোলে তৃণমূল। এই নিয়ে পরবর্তীতে মামলাও হয়। নন্দীগ্রামে পরাজিত হলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২০২১ সালের মে মাসে টানা তৃতীয়বারের মতো মুখ্যমন্ত্রী হন।







