ওয়েব ডেস্ক: উচ্চ রক্তচাপ (High Blood Pressure) এখন শুধু বয়স্কদের সমস্যা নয়, কম বয়সিদের মধ্যেও দ্রুত বাড়ছে। অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ হার্ট অ্যাটাক (Heart Attack) ও স্ট্রোকের (Stroke) ঝুঁকি কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেয়। স্বাভাবিক রক্তচাপ ধরা হয় ১২০/৮০ mmHg। কিন্তু আচমকা যদি মাপতে গিয়ে দেখেন রিডিং অনেক বেশি, আর হাতের কাছে ওষুধ নেই— তখন কী করবেন?
প্রথমেই যা করবেন
শান্ত হয়ে বসুন – দৌড়ঝাঁপ বা আতঙ্ক একেবারেই নয়। চুপচাপ সোজা হয়ে বসুন, পা মাটিতে রাখুন।
আরও পড়ুন: মুড়ি তো খান, কিন্তু এর ইংরেজি নাম কি জানেন?
গভীর শ্বাস-প্রশ্বাস নিন – নাক দিয়ে ৪–৫ সেকেন্ড ধরে শ্বাস নিন। ৬–৭ সেকেন্ড ধরে ধীরে ধীরে শ্বাস ছাড়ুন।প্রতি ২ মিনিট অন্তর এভাবে কয়েক বার করুন। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, এই ধীর শ্বাস-প্রশ্বাস সিস্টোলিক প্রেসার কিছুটা কমাতে সাহায্য করতে পারে।
পুনরায় রক্তচাপ মাপুন – ৫–১০ মিনিট বিশ্রামের পর আবার মাপুন।
লক্ষণ খেয়াল করুন – তীব্র মাথাব্যথা, বুকব্যথা, শ্বাসকষ্ট, ঝাপসা দেখা, বমিভাব বা অসাড়তা হলে দেরি না করে নিকটবর্তী হাসপাতালে যান। যদি রক্তচাপ ১৮০/১২০ mmHg বা তার বেশি হয় এবং উপসর্গ থাকে, তা হলে এটিকে জরুরি অবস্থা (হাইপারটেনসিভ ক্রাইসিস) ধরা হয়— অবিলম্বে চিকিৎসা প্রয়োজন।
হৃৎপিণ্ড সঙ্কোচনের সময় ধমনিতে যে চাপ পড়ে, সেটিই সিস্টোলিক প্রেসার। ধীর, নিয়ন্ত্রিত শ্বাস-প্রশ্বাস স্নায়ুতন্ত্রকে শান্ত করে, ফলে সাময়িক ভাবে রক্তচাপ কিছুটা নামতে পারে। এমন পরিস্থিতি এড়াতে যা করবেন,
- নিয়মিত ওজন নিয়ন্ত্রণ ও শরীরচর্চা
- পর্যাপ্ত জল পান, বিশেষ করে গরমে
- খাবারে নুন কমানো
- নিয়মিত প্রাণায়াম ও ধ্যান
- চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ নিয়ম করে খাওয়া
রক্তচাপের সমস্যা ধরা পড়লে অবহেলা নয়। প্রাথমিক পদক্ষেপ সাময়িক স্বস্তি দিতে পারে, কিন্তু স্থায়ী সমাধানের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শই শেষ কথা।







