ওয়েব ডেস্ক: হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কে (India-Bangladesh Relation) দেখা গিয়েছে ফাটল। বাংলাদেশিদের মধ্যে ভারতের প্রতি বিদ্বেষ বেড়েছে মহম্মদ ইউনুসের (Mohammed Yunus) নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে। দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে সেই টানাপোড়েনেরই প্রতিফলন দেখা গেল কেন্দ্রীয় বাজেটে (Union Budget 2026)। বৈদেশিক উন্নয়ন সহায়তা (Foreign Development Assistance) খাতে বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দ অর্ধেক করে দিল মোদি সরকার।
আগের কেন্দ্রীয় বাজেটে বাংলাদেশের জন্য ১২০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হলেও বাস্তবে খরচ হয়েছিল মাত্র ৩৪.৪৮ কোটি টাকা। এবারের বাজেটে বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দ কমিয়ে ৬০ কোটি টাকায় নামানো হয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, বাংলাদেশে ক্রমবর্ধমান ভারতবিদ্বেষ, সংখ্যালঘু নির্যাতন এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর হামলার ঘটনার প্রতিফলন হিসেবেই এই কড়া অবস্থান নিয়েছে নয়াদিল্লি।
আরও পড়ুন: সামরিক খাতে রেকর্ড বরাদ্দ! দেশের সুরক্ষায় কী পদক্ষেপ নির্মলার?
বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দ কমলেও বৈদেশিক উন্নয়ন সহায়তা খাতে বরাদ্দ বেড়েছে ভুটানের জন্য। এই প্রতিবেশী দেশের জন্য ৬ শতাংশ বরাদ্দ বেড়েছে এবারের বাজেটে। ভুটানের সঙ্গে নেপালের বরাদ্দও বেড়েছে ১৪ শতাংশ। বরাদ্দ বৃদ্ধির তালিকায় রয়েছে শ্রীলঙ্কাও। যদিও মালদ্বীপের ক্ষেত্রে ছবিটা উল্টো। এই বাজেটে মালদ্বীপের জন্য বরাদ্দ ৮ শতাংশ কমিয়ে ৫৫০ কোটি টাকায় নামানো হয়েছে।
সব মিলিয়ে ২০২৬–২৭ অর্থবর্ষে বৈদেশিক উন্নয়ন সহায়তা খাতে মোট বরাদ্দ ৪ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫,৬৮৬ কোটি টাকা। গত অর্থবর্ষে এই অঙ্ক ছিল ৫,৪৮৩ কোটি টাকা। তবে এবারের বাজেটে চাবাহার বন্দরের জন্য এক পয়সাও বরাদ্দ রাখেনি কেন্দ্র।
দেখুন আরও খবর:







