Friday, March 13, 2026
HomeScroll‘চোখের সামনে ছেলেকে শেষ হতে দেখছিলাম’, নিষ্কৃতিমৃত্যুর রায়ে সুপ্রিম কোর্টকে ধন্যবাদ হরিশ...
Supreme Court

‘চোখের সামনে ছেলেকে শেষ হতে দেখছিলাম’, নিষ্কৃতিমৃত্যুর রায়ে সুপ্রিম কোর্টকে ধন্যবাদ হরিশ রানার বাবার

১৩ বছর ধরে চিকিৎসা চললেও তাঁর অবস্থার কোনও উন্নতি হয়নি

ওয়েব ডেস্ক: চোখের সামনে প্রতিদিন সন্তানের অসহ্য যন্ত্রণা দেখতে হচ্ছিল। সেই কষ্ট আর সহ্য হচ্ছিল না। অবশেষে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছিলেন তাঁরা। সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) যখন হরিশ রানার (Harish Rana) নিষ্কৃতিমৃত্যুর অনুমতি দিল, তখন কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেন তাঁর বাবা অশোক রানা।

সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে আবেগঘন কণ্ঠে তিনি বলেন, “চোখের সামনে ছেলেকে তিলে তিলে শেষ হতে দেখা, এর থেকে বড় যন্ত্রণা বাবা-মায়ের কাছে আর কী হতে পারে! আমরা আদালতের কাছে কৃতজ্ঞ। বিচারপতিরা আমাদের কথা শুনেছেন এবং আমরা যা চেয়েছিলাম, সেই সিদ্ধান্তই দিয়েছেন।”

আরও পড়ুন: খুলল হরমুজ প্রণালী! ভারতে এসে পৌঁছল সৌদির ট্যাঙ্কার! এবার কি মিটবে জ্বালানির সংকট?

উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদের বাসিন্দা হরিশ রানা দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে স্থায়ী অচেতন অবস্থায় (পারসিসটেন্ট ভেজিটেটিভ স্টেট) শয্যাশায়ী ছিলেন। পাঁচতলা থেকে পড়ে গিয়ে গুরুতর মস্তিষ্কে আঘাত পাওয়ার পর থেকেই তাঁর এই অবস্থা। টিউবের মাধ্যমে পুষ্টি দিয়ে তাঁকে বাঁচিয়ে রাখা হচ্ছিল। অশোক রানা জানান, তাঁর ছেলে অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র ছিলেন এবং পঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়ার সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের টপারও হয়েছিলেন। ২০১৩ সালের ২০ অগস্ট রাখিবন্ধনের দিন পরিবারের কাছে শেষ বার বার্তা পাঠানোর কিছুক্ষণের মধ্যেই খবর আসে, তিনি পাঁচতলা থেকে পড়ে গিয়েছেন।

গত ১৩ বছর ধরে চিকিৎসা চললেও তাঁর অবস্থার কোনও উন্নতি হয়নি। সুপ্রিম কোর্টও তাদের রায়ে জানায়, বর্তমান চিকিৎসা কেবল তাঁর জীবন দীর্ঘায়িত করছে, আর কোনও বাস্তব উপকার হচ্ছে না। তাই হরিশের বাবা-মা এবং মেডিক্যাল বোর্ডের মতামতের ভিত্তিতে কৃত্রিম পুষ্টি সরবরাহ বন্ধ করার অনুমতি দেওয়া হয়। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে প্রথম দিল্লি হাইকোর্টে ছেলের হয়ে পরোক্ষ নিষ্কৃতিমৃত্যুর আবেদন জানান অশোক রানা। প্রায় দু’বছরের আইনি লড়াইয়ের পর অবশেষে বুধবার সেই আবেদন মঞ্জুর করে সুপ্রিম কোর্ট।

 

mm
জয়িতা চৌধুরি
২০২৪ সালের অক্টোবর মাস থেকে কলকাতা টিভি ডিজিটালে কর্মরত। তাঁর এর আগে একাধিক ওয়েব মিডিয়ায় কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জার্নালিজম ও মাস কমিউনিকেশনে মাস্টার্স করেছেন। জার্নালিজমে স্নাতকোটত্তর স্তরে পড়াশোনা করার সময়ে সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যম থেকে ইন্টার্নশিপের মাধ্যমেই তাঁর সংবাদ জগতে হাতেখড়ি। ক্রাইম, পলিটিক্যাল ও বিনোদন, লাইফস্টাইলের খবর লেখেন। খবরে থাকাই তাঁর নেশা।
Read More

Latest News

toto evos gaming

https://rendez-vous.benin-ambassade.fr/profil-d/ https://www.annabelle-candy.com/about/ JUARA88 DEPOBOS idn poker 88 situs slot gacor https://www.demeral.com/it/demeral_software/ BWO99 slot 5000 poker situs slot gacor joker toto slot maxwin slot maxwin situs bola BANDAR80 WATITOTO LGO188 DEPOBOS https://www.demeral.com/it/podcast bandar togel