ওয়েব ডেস্ক : তেলেঙ্গানায় (Telanagana) চাঞ্চল্যকর ঘটনা। পরীক্ষার দেওয়ার পরে ডায়গনস্টিক সেন্টারের শৌচালয়ে সন্তানের (Child) জন্ম দিল ১৬ বছরের নাবালিকা! এই ঘটনায় ব্যপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তবে ওই বাচ্ছার বাবা কে? তা নিয়ে প্রশ্ন উঠে গিয়েছে। ইতিমধ্যে তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ (Police)।
পুলিশ সূত্রে খবর, ওই নাবালিকা একটি আবাসিক বালিকা বিদ্যালয়ের ছাত্রী (Student)। পরীক্ষা দেওয়ার পরে তাঁর পেটে যন্ত্রণা শুরু হয়। তার তার পরেই ওই কিশোরীকে নিয়ে যাওয়া হয় এক বেসরকারি হাসপাতালে। কিন্তু সেখানকার চিকিৎসকরা ওই নাবালিকাকে একটি ডায়গনিস্টিক সেন্টারে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। তার পরেই তাঁকে সেখানে নিয়ে যাওযা হয়। তার পরেই ওই ডায়গনিস্টিক সেন্টারের শৌচালয়ে সন্তানের জন্ম দেয় ওই নাবালিকা।
আরও খবর : মোদি ইজরায়েলে সফর থেকে ফেরার পর ইরানে হামলা! বিরাট মন্তব্য রাষ্ট্রদূতের
জানা গিয়েছে, এর পরেই ডায়গনিস্টিক সেন্টারের তরফে পুলিশে (Police) খবর দেওয়া হয়। সেখানে জানানো হয়, পরীক্ষার পরে কিশোরীর পেটে যন্ত্রণা শুরু হয়। তার পরে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। এরপর ডায়গনস্টিক সেন্টারে স্ক্যান করাতে আনা হয় কিশোরীকে। তার পরেই মেয়ে ও মা গিয়ে ঢোকে সেন্টারের শৌচালয়ে। সেখানে ওই নাবালিকা শিশুর জন্ম দেয়। কিন্তু অভিযোগ, ওই শিশুটিকে ময়লা ফেলার ডাস্টবিনে ফেলে দেয় কিশোরী ও তার মা। আর তা চোখে পড়তেই ডায়গনিস্টিক সেন্টারের তরফে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
এদিকে পুলিশ ওই কিশোরী ও তাঁর মাকে এ নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে পকসো আইনে মামলা করবেন কি না, তা খতিয়ে দেখছে। সঙ্গে ওই কিশোরীকে কে গর্ভবতী করেছে? সেটাও তদন্ত করে দেখছে পুলিশ। এদিকে, জানুয়ারি মাসে মধ্যপ্রদেশে মাধ্যমিক পরীক্ষার চলাকালীন শিশুর জন্ম দিয়েছিল আরও এক নাবালিকা।
দেখুন অন্য খবর :







