ওয়েবডেস্ক- জনসভায় তখন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) । সবাই তাকিয়ে আছেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড কী বক্তব্য রাখেন সেইদিকেই। কিন্তু সভার মাঝখানে হঠাৎই ছন্দপতন। ‘সুগার ফল’ (Sugar Fall) হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লেন এক দর্শক। কিন্তু সেই দেখেই এক মুহূর্ত আর সময় নেননি অভিষেক। বক্তৃতা থামিয়ে দেন তিনি। প্রথমে জল খাওয়াতে বলেন। এর পর মিষ্টি খাওয়াতে বলেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। এমনকী নিজের গাড়ি থেকে খাবার আনারও পরামর্শ দেন তিনি। মঞ্চের উপর থেকেই সব ব্যবস্থাপনার দিকে নজর দেন অভিষেক। বলেন, উনি সুস্থ হয়ে যাবেন, চিন্তা করবেন না। চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে’। এর পর অ্যাম্বুল্যান্সের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেন দলীয় কর্মীদের। ওই ব্যক্তিকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করে দেওয়ার পর ফের বক্তৃতা শুরু করেন অভিষেক।
এদিকে আজ পরিযায়ী শ্রমিক (Migrant Worker) খুনে রণক্ষেত্রের চেহার নেয় বেলডাঙা (Beldanga)। সেই আবহেই আজ জনসভা করলেন অভিষেক। মৃতের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য সহ পরিযায়ী শ্রমিকের স্ত্রীকে চাকরির দেওয়ার কথা জানান তিনি। সেই সঙ্গে বহরমরপুরবাসীকে কারুর প্ররোচনায় কান দেওয়ার বার্তা দিয়ে এলাকায় শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানান তিনি। এদিন এসআইআর ইস্যুতে বিজেপি ও কমিশনকে একযোগে আক্রমণ শানালেন তিনি।
আরও পড়ুন- মহিলা সাংবাদিক নিগ্রহের ঘটনায় তীব্র নিন্দা! কাঁকসায় সাংবাদিক বৈঠকে লকেট চট্টোপাধ্যায়
বিজেপিকে নিশানা করে বলেন, সকলকে অনুরোধ করছি, এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখবেন। কোনওভাবেই বিজেপিকে অক্সিজেন দেওয়া যাবে না। বাংলার পক্ষ থেকে ঝাড়খণ্ড সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। বহরমপুরের মঞ্চ থেকে অভিষেক বলেন, ‘বেলডাঙার ঘটনা শোনার পর সঙ্গে ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয়ে কথা বলেছি। আমি বলেছি, এই ঘটনা পিছনে যদি কেউ থাকে, তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে। তারাও আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন, যত দ্রুত সম্ভব অ্যাকশন নেওয়া হবে। তবে কেউ আইন হাতে তুলে নেবেন না, তাহলে লাভ ওই বিজেপির গদ্দারগুলোর। কোনও উসকানিতে পা দেবেন না, এই কথা সব সময় মাথায় রাখতে হবে। অভিষেক বলেন, এখানে ইউসুফ আছে। ও আমাকে ফোনকে কালকে বেলডাঙা যেতে চায় বলে জানিয়েছে। আমি বলেছি আজকে আমার র্যালি আছে। আজকে আমাদের বৈঠকের পর আমাদের বিধায়ক সাংসদ সবাই মিলে আলাউদ্দিন শেখের পরিবারের পাশে গিয়ে দাঁড়াবে।
অভিষেক বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ মতো জেলা প্রশাসন ইতিমধ্যেই ২ লক্ষ টাকার আর্থিক সহায়তা ও তার স্ত্রীকে চাকরি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এটাই আমাদের মানবিক সরকার।







