ওয়েবডেস্ক- কেন্দ্রীয় বাজেট (Budget 2026-2027) মন জিততে পারল না উত্তরবঙ্গের (North Bengal) চা বলয়ের শ্রমিকদের (Tea Worker)। বিধানসভা ভোটের আগেই বাজেট, অনেক আশা নিয়ে সেই দিকেই তাকিয়ে ছিল তারা, কিন্তু শুধু হতাশা ছাড়া আর কিছুই মিলল না। প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত চা শ্রমিকদের জন্য একটি কথাও উচ্চারণ করেননি কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Union Finance Minister Nirmala Sitharaman)। কেন্দ্রের তরফে একাধিক আশ্বাস মিললেও কাজের কাজ হল না কিছুই, দিনের শেষে তার শূন্য ভাড়ার থাকল শ্রমিকদের ঝুলিতে। উত্তরের অর্থনীতি চা, কাঠ আর তামাকের উপরেই দাঁড়িয়ে আছে।
চা-শিল্প বিগত কয়েক বছর ধরেই নানা সমস্যা সম্মুখীন। দেশের মোট চা উৎপাদনের কম-বেশি ৫৫-৬০ শতাংশ আসে ক্ষুদ্র চা বাগান থেকে। উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ি, কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ার জেলার কয়েক লক্ষ মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ক্ষুদ্র চা চাষের সঙ্গে যুক্ত। সম্প্রতি বাজেট পেশের আগেই ক্ষুদ্র চা চাষি সমিতির তরফে এক ‘মেমোরেন্ডাম’ পাঠানো হয় কেন্দ্রীয় অর্থ ও বাণিজ্য মন্ত্রকের কাছে। কৃষিজীবীর স্বীকৃতি দাবি করেন ক্ষুদ্র চা চাষিরা। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হল না। এই স্বীকৃতি জুটলে অন্য কৃষিজীবীদের জন্য কেন্দ্রের যে ১৮টি প্রকল্প রয়েছে, তার সুবিধা পেতে পারেন ক্ষুদ্র চাষিরা। দার্জিলিং চায়ের জন্যও কোনও বরাদ্দ নেই বাজেটে।
আরও পড়ুন- বাজেট ২০২৬, বাংলা কী কী পেল?
সংগঠনের সম্পাদক বিজয় গোপাল চক্রবর্তী বলেন, “পশ্চিমবঙ্গ, অসম, কেরল ও তামিলনাড়ুতে ভালো চায়ের চাষ হয়। কিন্তু বাজেটে চা শিল্পের জন্য কোনও আলাদা প্যাকেজ দেওয়া হল না। এদিকে কাজু ও নারকেল চাষি ও পশুপালনকারীদের জন্য বিশেষ প্যাকেজের ব্যবস্থা করেছে কেন্দ্র। আমরা সত্যিই হতাশ হয়েছি।‘
বাজেট নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তৃণমূল চা বাগান শ্রমিক ইউনিয়নের নকুল সরকার। নকুলবাবু বলেন, এই বাজেট থেকে পশ্চিমবঙ্গে কিছু পাওয়ার নেই। চা শ্রমিকদের কথা যে কেন্দ্র ও বিজেপি ভাবে না, সেটাই বার বার প্রমাণিত হয়েছে।







