কলকাতা: শুক্রবার আনন্দপুরের (Anandapur) ঘটনাস্থল পরিদর্শন যান রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস(C. V. Ananda Bose)। সেখান থেকে রাজ্য প্রশাসনকে একের পর এক তোপ দাগলেন তিনি। সরাসরি বলে দিলেন, ‘প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’ শুধু তাই নয়, পুলিশকে কাঠগড়ায় তোলেন তিনি। রাজ্যপালের কথায়, ‘আইন রক্ষক বাহিনী নিজের দায়িত্ব পালন করেনি।’তিনি বলেন, আমি কাউকে দোষ দিচ্ছিনা, কিন্তু প্রশাসনের খামতি ছিল, নয়তো এই ধরনের ঘটনা বারবার হয়না।
শুক্রবার বেলা সাড়ে ১২টা নাগাদ ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। আনন্দপুরের পুড়ে যাওয়া দুই গুদাম ঘুরে বর্তমান পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখেন তিনি। বেরিয়ে রাজ্যপাল বোস বলেন, দোষ খুঁজতে নয়, তথ্য অনুসন্ধানে এসেছি। তবে প্রশাসনকে আরও বেশি সতর্ক হতে হত। এটা খুব ভয়ংকর দৃশ্য। মানুষের জীবন চলে গেলো যা মূল্যবান। আগুন লাগার সময়ে এবং পরে কিছু স্টেপ নিতে হত যেটা এখানে নেওয়া হয়নি। প্রশাসন এবং এই গোডাউনের মালিকপক্ষের সমান দায় আছে। আইনের সঠিক প্রয়োগ করে কড়া নজরদারি করে, অগ্নি সুরক্ষা ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করার প্রয়োজন ছিল। এখানে খামতি ছিল, এবং এখানে এটা প্রথম নয়। দুর্ঘটনা নয়, মানুষের ভুল। রাজ্যপাল হিসেবে একটি এডভাইসারি খুব দ্রুত আমি আনবো। সবার চোখ কান খোলা রাখতে হবে। “সফট স্টেট” হতে দেওয়া যাবে না। যেখানে নিয়মের পালন হয়না।
আরও পড়ুন: রাজ্যের বুথগুলিতে পরিকাঠামোর উন্নয়ন নিয়ে কমিশনের বক্তব্য জানতে চাইল হাইকোর্ট
আজ আনন্দপুরে পৌঁছনোর আগে ব্যারাকপুর গান্ধিঘাটে যান রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। মহত্মা গান্ধীর প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ব্যারাকপুর গান্ধী ঘাটে আসা। রাজ্য সরকারে পক্ষ থেকে দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু রয়েছেন রাজ্যপালের সঙ্গে। সেখান থেকে তিনি বলেন, “প্রশাসনের উচিত আরও সতর্ক হওয়া।” অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে ওয়াও মোমোর সেই গুদামের ম্যানেজার মনোরঞ্জন শিট এবং ডেপুটি ম্যানেজার রাজা চক্রবর্তীকে নরেন্দ্রপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতদের শুক্রবার বারুইপুর মহকুমা আদালতে হাজির করানো হবে।







