ওয়েব ডেস্ক: তাঁর সৌন্দর্যের প্রশংসায় পঞ্চমুখ প্রায় সকলেই। তাঁকে প্রায় সকলেই ডাকেন ‘গ্রীক গড্’ নামে। তাঁকে পর্দায় দেখলে মহিলা অনুরাগীরা মন হারান। ৫১ বছরে পা দিয়েছেন দুই পুত্রসন্তানের বাবা হৃতিক রোশন (Hrithik Roshan)। হৃতিক রোশনের ধমনীতে যে বাঙালির রক্ত বইছে, সে কথা তিনি মাঝেমধ্যেই সগর্বে প্রকাশ করেন। হৃতিক এ বার জানালেন, তাঁর ঔজ্জ্বল্যের কারণ আদতে বাঙালি মাছের ঝোল।
হৃতিকের খুড়তুতো ভাইয়ের বিয়েতে হাজির ছিল গোটা পরিবার। মুম্বইয়ের চাকচিক্য আর বলিউডের গ্ল্যামার সরিয়ে রেখে হৃতিক যেন এদিন হয়ে উঠেছিলেন নিখাদ ঘরের ছেলে। সেখানে অভিনেতার বর্তমান প্রেমিকা থেকে প্রাক্তন স্ত্রী, উপস্থিত ছিলেন সকলেই। বিয়ের প্রতিটা অনুষ্ঠানে দারুণ সাজে নজর কেড়েছেন অভিনেতা। অনুরাগীরা সমাজমাধ্যমে তাঁর প্রতিটা লুক দেখেই প্রশংসায় পঞ্চমুখ। ঈশান রোশনের বিয়ের প্রতিটি অনুষ্ঠানেই হৃতিক ছিলেন মধ্যমণি। তবে নজর কেড়েছে তাঁর সাবেকি সাজ। গোটা অনুষ্ঠানে ফিউশন পাঞ্জাবী ও ঢিলে পাজামা পরে দেখা যায় অভিনেতাকে। শুধু পোশাকেই নয়, বরং আচার-আচরণেও আগাগোড়া বাঙালি সংস্কৃতি বজায় রেখেছেন। বিয়ের পিঁড়িতে বসা ভাই ঈশানের সঙ্গে তার খুনসুটি হোক কিংবা পরিবারের বড়দের সঙ্গে আশীর্বাদ নেওয়া— সব কিছুতেই মিশে ছিল আদ্যোপান্ত এক ‘বাঙালি বাবু’র মেজাজ।অভিনেতা সমাজমাধ্যমে লেখেন, ‘‘আমার মধ্যে থাকা ২৫ শতাংশ বাঙালি জিনের কারণেই এই ঔজ্জ্বল্য।” সঙ্গে তিনি হ্যাশট্যাগে লেখেন, মাছের ঝোল ও সোনার বাংলা। বাঙালিয়ানার সঙ্গে কী সম্পর্ক অভিনেতার? হৃতিকের ঠাকুরমা ছিলেন বাঙালি গায়িকা ইরা মৈত্র।
আরও পড়ুন: প্রথমবার পর্দায় রানি-অক্ষয়ের যুগলবন্দি
View this post on Instagram







