কলকাতা: বিশ্বমঞ্চে কলকাতার মাথা হেঁট…।কিছু লোকের হ্যাংলামি…,’ যুবভারতীতে মেসি অনুষ্ঠানের আয়োজকের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ কুণাল ঘোষ। একঝলক মেসিকে দেখার জন্য কেউ এসেছিলেন পুরুলিয়া থেকে, কেউবা কাঁথি। মেসিভক্তরা এসেছিলেন বেঙ্গালুরু, শিলং থেকেও। এমনকী নেপাল থেকে এসেছিলেন ভক্তরা। কিন্তু তাঁদের অভিযোগ, যুবভারতীতে ঢোকার পর থেকেই মেসিকে ঘিরে ছিলেন ভিআইপিরা। ফলে গ্যালারি থেকে ২০ মিনিট মেসিকে দেখাই যায়নি। প্রিয় তারকাকে দেখতে না পেয়ে ধৈর্যচ্যুতি ঘটে তাঁদের। দর্শকক্ষোভে রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে যুবভারতী। ক্ষুব্ধ হলেন দর্শকরা। গ্যালারি থেকে ছোড়া হল বোতল। এবার দর্শকদের পাশাপাশি আয়োজকদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ।
যুবভারতীর বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি কোনও রকমে আয়ত্তে এনেছে পুলিশ। গ্রেফতার করা হয়েছে মেসির অনুষ্ঠানের মূল উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্তকে। হাজার হাজার দর্শকের ক্ষোভ আছড়ে পড়ল সল্টলেক স্টেডিয়াম এবং লাগোয়া এলাকায়। তুমুল বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিতে মাঝপথ থেকে গাড়ি ঘুরিয়ে ফিরে যেতে হল মুখ্যমন্ত্রীকে। এ ঘটনা নজিরবিহীন। প্রকাশ্যে ক্ষমাপ্রার্থনাও করতে হল তাঁকে।অব্যবস্থা নিয়ে প্রশাসক ও শাসক দলের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন বিরোধীরা। এবার দর্শকদের পাশাপাশি আয়োজকদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ।
আরও পড়ুন: মেসির ‘দেখা না পেয়ে’ যুবভারতীতে তাণ্ডব, সুয়ো মোটো মামলা রুজু পুলিশের
কুণাল ঘোষ তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “অপদার্থ আয়োজক কেন ন্যূনতম পরিকল্পনার ছাপ রাখল না? শুধু টাকা? শুধু ব্যবসা? এই আয়োজক আর কিছু হ্যাংলার জন্য সবাই বঞ্চিত হল। কলকাতা লজ্জিত হল। দর্শকদের ক্ষোভ ন্যায্য।” তিনি আরও বলেন, “কয়েকজনের আদিখ্যেতা দেখলাম, এটা মেসিকে দেখা না নিজেকে জাহির করা। কোনও পরিকল্পনা নেই।” ফেসবুকে তিনি লেখেন, ‘আজ আমরা দেখেছি বিজেপি-সমর্থিত দুষ্কৃতীরা মাঠে ঢুকে উসকানি দিতে ও অশান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা করেছে। তারা গেরুয়া পতাকা বহন করছিল এবং স্লোগান দিচ্ছিল। দর্শকদের ক্ষোভের সুযোগ নিয়ে এরা বিশৃঙ্খলা করছিল। শকুনের রাজনীতি করেছে। বাংলা-বিরোধী বিজেপি বাংলাকে বদনাম করতে যেকোনও সীমা ছাড়াতে পারে। পুলিশের উচিত এই ধরনের অসামাজিক তৎপরতার সঙ্গে জড়িতদের ভূমিকা খতিয়ে দেখা।’
দেখুন ভিডিও








