কলকাতা: তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা (TMCP Foundation Day) দিবসের সভা থেকে নির্বাচন কমিশনকে (Election Commission of India) বিঁধলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। বিজেপি শাসিত ভিনরাজ্যে বাঙালি-হেনস্থার অভিযোগ তুলেও সরব হলেন তিনি। তৃণমূলনেত্রী বলেন, “জীবন থাকতে কারও ভোটাধিকার কাড়তে দেব না।” একই কথা শোনা গিয়েছিল অভিষেকের গলা। তিনি বলেন, বিজেপি এসআইআর করে মানুষের মৌলিক অধিকার কেড়ে নিতে চাইছে। ভোটের অধিকার কেড়ে নিতে চাইছে। তাদেরকে বাংলা ’২৬ সালে যোগ্য জবাব দেবে। একটা ভোটারের নাম বাদ গেলেও, ১০ লক্ষ মানুষ নিয়ে কমিশন ঘেরাওয়ের ডাক ফের অভিষেকের।
মমতা বলেন, “কিছু হিংসুটে লোক আছে। দেখলেই জ্বলে, আর লুচির মতো ফোলে। এরা হচ্ছে তাই। ১০০ দিনের কাজে পরপর চার-পাঁচ বছর আমরা এক নম্বরে ছিলাম। গ্রামীণ আবাস যোজনা, রাস্তা তৈরিতে এক নম্বরে ছিলাম। তাই সেলফিশ জায়েন্টেরা, যারা হাই লোডেড ভাইরাস, তারা হিংসা করে আমাদের টাকা বন্ধ করে দিয়ে ভাবছে এনআরসি চালু করবে এবং সকলের ভোটাধিকার কেড়ে নেবে। জীবন থাকতে কারও ভোটাধিকার কাড়তে দেব না।” মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায়, “বাড়ি বাড়ি সমীক্ষার নামে আপনার সম্পর্কে খুঁটিনাটি তথ্য নিয়ে গিয়ে দেখবেন, আপনার নাম বাদ দিয়ে দেবে। নিজের ভোটার কেন্দ্রে গিয়ে দেখবেন, নামটা আছে কি না। আধার কার্ডটা করে রাখুন। আধার কার্ডটা বাধ্যতামূলক করে দেওয়া হয়েছে। ললিপপ সরকার বিডিও, এসডিও, ডিএম-দের ভয় দেখাচ্ছে।
আরও পড়ুন: জগন্নাথ ধাম দেখেছেন এবার দুর্গাঅঙ্গন তৈরি হবে
নির্বাচন কমিশন আসে আর যায়। সারাবছর কিন্তু রাজ্য সরকারের হাতে সব থাকে। গায়ের জোরে কিছু হবে না এখানে। ভান্ডারা আমাদের কাছেও আছে। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার যেমন আছে, তেমন আপনাদের দুর্নীতির ভান্ডারাও আছে। খুলে দেব, সব ফাঁস করে দেব। জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে নিশানা করে মমতা বলেন, “ইলেকশন আসলেই দেখবেন এজেন্সির দাপাদাপি বাড়ে। একটা এজেন্সি নয়। আগে কখনও কেন্দ্রীয় এজেন্সি বিজেপি করত না। কোনও রাজনৈতিক দল করত না। এখন দেখছি এসব হচ্ছে।নির্বাচন কমিশনের চেয়ারকে আমি সম্মান করি। কিন্তু জানেন তো, বাচ্চারা ললিপপ খেলে মানায়। কিন্তু বড়রা যদি ললিপপ খায় কোনও পার্টির হয়ে, সেটা মানায় না।
অন্য খবর দেখুন