পূর্ব মেদিনীপুর: পাকিস্তানের (Pakistan) জেলে (Jail) কাঁথির (kathi) মৎস্যজীবীর (Fisherman) রহস্য মৃত্যু। ঘটনায় শোকাহত গোটা পরিবার। সম্পূর্ণ সরকারি সহযোগিতায় ৩ ডিসেম্বর দেহ আনতে পরিবারের লোকেরা রওনা দেবে পাক সীমান্তের পাঞ্জাবে। ৪ ডিসেম্বর মৎস্যজীবী স্বপন রানার দেহ পাবে পরিবার।
গুজরাট মৎস্য বন্দর থেকে মৎস্য শিকারে গিয়ে পাকিস্তানের জেল বন্দী। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার দেশপ্রাণ ব্লকের পাইকবাড় গ্রামের বাসিন্দা স্বপন রানা’র মৃত্যুর খবর আসতেই শোকের ছায়া গোটা এলাকায়। কান্নায় ভেঙে পড়েছে তার স্ত্রী ও পুত্র। প্রশাসনিক তৎপরতায় স্বপন রানা দেহ আনতে পাকিস্তান সীমান্তের পঞ্জাবে রওনা দেবে তার পরিবার। তবে পরিবার ও এলাকাবাসীর দাবি স্বপন রানার মৃত্যুর কারণ এখনও পরিষ্কার নয়, বন্দীদশা কিভাবে মৃত্যু হল তা নিয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন?
প্রায় দু বছর আগে গুজরাট মৎস্য বন্দর থেকে মৎস্য শিকারে গিয়ে আন্তর্জাতিক জলসীমা অতিক্রম করার কারণে পাকিস্তানে গ্রেফতার হয়। পশ্চিমবঙ্গের একাধিক জেলার ৭ জন মৎস্যজীবী। পাকিস্তানের জেলে থাকার সময় স্বপন রানা তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি জানায়। পরে পরিবারের সঙ্গে বেশ কয়েকবার কথা হয়। এরপর পরিবারের লোকজন থানায় লিখিত অভিযোগ করে তাকে ফিরিয়ে আনতে তৎপর হয়। কিন্তু কোন ভাবে স্বপন রানা ফিরে না এলেও পরিবারের লোকজন তার ফিরে আসার অপেক্ষায় দিন গুণ ছিল।
আরও পড়ুন- ভাতারের ভুমশোরে মহিলার মৃত্যু, এসআইআর আতঙ্ক ঘিরে চাঞ্চল্য
২৫ নভেম্বর বসিরহাট থেকে স্বপন রানা’র পরিবারের কাছে তার মৃত্যুর খবর আসে, প্রথমে বিশ্বাস না হলেও আজ প্রশাসনিক ব্যক্তিদের তার পরিবারে উপস্থিত হয়ে মৃত্যুর খবর দেওয়ায় পরিবার সহ শোকে আচ্ছন্ন গোটা পাড়া। ৪ ডিসেম্বর স্বপন রানা’র দেহ তুলে দেবে তার পরিবারের হাতে। প্রশাসনের সহযোগিতা ও তৎপরতায় পাক সীমান্তের পঞ্জাবের উদ্দেশ্যে রওনা দেবে তার পরিবার।
দেখুন আরও খবর-







